Posts

দীনদয়াল উপাধ্যায় ও অখণ্ড মানবতাবাদ''

Image
আধুনিক ভারতের রাজনৈতিক ও দার্শনিক চিন্তাজগতে দীনদয়াল উপাধ্যায় (১৯১৬–১৯৬৮) একটি বিশেষ ও স্বতন্ত্র নাম । তিনি ছিলেন একাধারে একজন আদর্শনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ, গভীর দার্শনিক চিন্তাবিদ এবং দক্ষ সংগঠক, যাঁর চিন্তাধারা পরবর্তীকালে ভারতীয় রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ আদর্শ ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় । ভারতীয় জন সংঘের অন্যতম প্রধান নেতা হিসেবে তাঁর ভূমিকা যেমন উল্লেখযোগ্য, তেমনই তাঁর প্রবর্তিত ‘অখণ্ড মানবতাবাদ’ ভারতীয় রাজনৈতিক দর্শনে এক মৌলিক সংযোজন হিসেবে বিবেচিত ।  পাশ্চাত্য পুঁজিবাদ ও মার্ক্সবাদী চিন্তার একমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির বিপরীতে তিনি এমন এক সমন্বিত জীবনদর্শনের কথা বলেন, যেখানে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র, তিনটিরই সুষম ও নৈতিক বিকাশ নিশ্চিত হয় । দীনদয়াল উপাধ্যায়ের দার্শনিক চিন্তার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল ‘অখণ্ড মানবতাবাদ’ । এই মতবাদে মানুষকে কেবল অর্থনৈতিক সত্তা বা শ্রেণিসংগ্রামের যন্ত্র হিসেবে দেখা হয় না, মানুষকে শরীর, মন, বুদ্ধি ও আত্মার সমন্বয়ে গঠিত একটি পূর্ণাঙ্গ সত্তা হিসেবে বিবেচনা করা হয় । তাঁর মতে, সমাজব্যবস্থা তখনই সুস্থ ও উন্নত হতে পারে, যখন বস্তুগত উন্নতির সঙ্গ...

মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব কর্তৃক শিখ গুরু তেগ বাহাদুর ও তার তিন শিষ্যকে হত্যার নৃশংস ইতিহাস

Image
মুসলমান শাসকরা যেমন হিন্দুদের উপর অত্যাচার করেছে, তেমনি অত্যাচার করেছে- শিখ, জৈন ও বৌদ্ধদের উপরও। আজ আপনাদের শোনাবো মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব কর্তৃক চারজন জন শিখ গুরুর উপর নৃশংস অত্যাচারের ফলে তাদের মৃত্যু বরণের কাহিনী। এই গুরুদের প্রতি আমার অশেষ শ্রদ্ধার কারণ, হিন্দুদের উপর মুসলমানদের অত্যাচারের প্রতিবাদ করতে গিয়েই এরা রাজ রোষের শিকার হন এবং মৃত্যু বরণ করেন। ঔরঙ্গজেব (বাংলাদেশে বলে আওরঙ্গজেব) তার শাসন কালে কাশ্মিরের হিন্দুদেরকে মুসলমান বানানোর জন্য জঘন্য অত্যাচার শুরু করে। সেই সময় শিখদের সপ্তম গুরু, গুরু তেগ বাহাদুর, এর প্রতিবাদ করেন। এই অপরাধে, ঔরঙ্গেজেব, তেগ বাহাদুর এবং তার তিন জন প্রিয় ও প্রধান শিষ্যকে বন্দী ক'রে, পশুর মতো খাঁচায় ভ'রে, তাদেরকে দিল্লি নিয়ে আসে।  প্রথমে তিন শিষ্যকে ইসলাম গ্রহন করতে বলা হয়। কিন্তু তারা তিনজনই মুসলমান হতে অস্বীকার করে। বাদশাহর হুকুম অমান্য করার অপরাধে তাদের জন্য শাস্তি ঘোষণা করা হয়। শাস্তিটা হলো, তিন জনেরই মৃত্যুদণ্ড; কিন্তু মৃত্যুগুলো হবে আলাদা আলাদা ভাবে এবং যতটা সম্ভব ধীরে ধীরে ও যন্ত্রণা দেওয়ার মাধ্যমে। যাতে একজনের শাস্তি ও যন্ত্রণা ...

ধর্মনিরপেক্ষ চাদারমোদরা

Image
পশ্চিমবঙ্গ থেকে বেথলেহেমের দুরত্ব প্রায় ৬০০০ কিলোমিটার, পশ্চিমবঙ্গ থেকে অযোধ্যার দুরত্ব ৭০০ কিলোমিটার.... দুরত্বের কথা কেন বললাম বুঝতে নিশ্চয় পারছেন না? পশ্চিমবঙ্গের ধর্মনিরপেক্ষ মানুষেরা ভগবান শ্রীরামচন্দ্রকে বহিরাগত বলে 'রামনবমী' পালন করতে দেখলে কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে যীশু খ্রীষ্টের জন্মদিন পালন করলে সেটাকে 'বাঙালির উৎসব' বলে আনন্দ করে কেন?  কতবড় মাঙ্কিখাগির সন্তান হলে এমন দ্বিচারিতা করে বুঝতে পারছেন তো? ওদের চোখে রাম বহিরাগত কিন্তু যীশু ঘরের ছেলে, আসল কথা এই ধর্মনিরপেক্ষদের একটাই উদ্দেশ্য সনাতন হিন্দু ধর্মের বিরোধীতা করা.... এই ধর্মনিরপেক্ষ চাদারমোদরা সনাতন হিন্দু ধর্মের গাছ পুজোকে কুসংস্কার বললেও নিজের ২৫ শে ডিসেম্বর প্ল্যাস্টিকের গাছে টুনি লাগিয়ে টুনটুনি দুলিয়ে দুলিয়ে ছবি তুলে আদিখ্যেতা করবে.... এই ধর্মনিরপেক্ষ চাদারমোদরা শিবরাত্রির দিন দুধ অপচয় করার কথা বললেও হাজার টাকার কেক মুখে মেখে নষ্ট করব তখন চাদারমোদদের মনে হয় না যে এই কেক নষ্ট না করে গরীব শিশুদের দেওয়া উচিত..... এই ধর্মনিরপেক্ষ চাদারমোদরা দীপাবলিতে পরিবেশ দূষণের কথা বললেও খ্রীষ্টমাস...

বড়দিনকে হিন্দুয়ানায় বেঁধেছিলেন স্বামীজি, তুলসী-পূজনেও সে বাঁধন অটুট।

Image
অভিসার যাত্রা। ১৮৯২ সালের ২৫ শে ডিসেম্বর; আকাশের এক তারা এসেছেন মত্যসাগরের ত্রিকোণ প্রেমের জলধারায় নীলকর দিয়ে। সুনীল জলধি থেকে সন্তানসম ভারতবর্ষের আবির্ভাব; মহাকালের সেই মহান অধ্যায় দেখতে এসেছেন সপ্তর্ষিমণ্ডলের এক আশ্চর্য নক্ষত্র; তার অতীত আর ভবিষ্যৎ মেলাবেন সমাধিতে বসে। পাশেই সমুদ্র-তনয়া কন্যাকুমারী। বড়দিন-ই বটে, তার প্রাক্কালে পায়ে হেঁটে কন্যাকুমারী পৌঁছেছেন স্বামী বিবেকানন্দ, তারপর মূল ভূখণ্ড থেকে সাগর-সঙ্গমে ৫০০ মিটার সাঁতরে ভারতীয় পাহাড়ের শেষ বিন্দুতে পৌঁছলেন তিনি; দেখলেন অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন, তারপর অতুল্য কিন্তু অভুক্ত ভারতের জন্য গ্রহণ করলেন এক অধ্যাত্মিক সংকল্প। ধ্যানের শঙ্খনাদে একাদিক্রমে তিনদিন কাটলো — ২৫,২৬,২৭ শে ডিসেম্বর। যে খ্রীস্টান ধর্ম মানুষকে ‘পাপী’ বলে, সেই ধর্মের প্রতিবাদ কেবল স্বামীজিই করেন নি, করেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণও। মানুষ দেবতা, মানুষ ব্রহ্ম; সে পাপী হবে কীভাবে? সে অমৃতের সন্তান, সে পবিত্র, সে পূর্ণ; পূর্ণতা প্রাপ্তির সব যোগই তার মধ্যে আছে। শুধু তাই নয়, ব্রাহ্মসমাজের শশিপদ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হিন্দু বিধবা আশ্রমের জন্য তিনি বিদেশে বক্তৃতা দিয়ে টাকা তুলে পাঠ...

১৯৭১–এর গল্প এখানেই শেষ নয়।

Image
১৯৭১ কোনো আবেগঘন গল্প নয়, কোনো রাজনৈতিক স্লোগানও নয়—এটি দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্রীয় ইতিহাসের একটি নথিভুক্ত বাস্তবতা। সেই বাস্তবতায় ভারত ছিল কেবল একজন প্রতিবেশী রাষ্ট্র নয়, ভারত ছিল আশ্রয়দাতা, অর্থদাতা, কূটনৈতিক ঢাল এবং শেষ পর্যন্ত সামরিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা। এই ভূমিকা কোনো একক সরকারের সদিচ্ছা ছিল না—এটি ছিল ভারতের রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত ত্যাগের ফল। যখন পূর্ব পাকিস্তানে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, গণহত্যা ও নির্যাতন চলছিল, তখন ভারত সীমান্ত বন্ধ করেনি, ধর্মের হিসাব কষেনি, আন্তর্জাতিক চাপের কাছে মাথা নোয়ায়নি। বরং সীমান্ত খুলে দিয়েছিল, কোটি কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছিল, এবং সেই বোঝা বহন করেছিল বছরের পর বছর। সেই ব্যয়ের ভার বহন করেছে ভারতের জনগণ—বাসের টিকিটে, সিনেমার টিকিটে, ডাকটিকিটে “Refugee Relief” সারচার্জ দিয়ে। এগুলো কোনো গোপন ইতিহাস নয়, এগুলো সরকারি দলিল, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত তথ্য। কিন্তু ১৯৭১–এর গল্প এখানেই শেষ নয়। ১৯৭১ বাংলাদেশের জন্মের বছর—এ কথা সবাই জানে। কিন্তু খুব কম মানুষই মনে রাখতে চায়, জন্মের পর একটি রাষ্ট্রকে দাঁড় করিয়ে রাখতে কী লাগে। যুদ্ধ জেতা এ...

পৃথিবীতে ৭ টি মহাদেশ আছে।এর মধ্যে একমাত্র এশিয়ায় পৃথিবীর ৬২-৬৯ শতাংশ মুসলমান বাস করে।এন্টার্কটিকা বাদ দিল বাকি ৫ টি মহাদেশে ৮ শতাংশ করেও মুসলিম বসবাস করে না।

Image
পৃথিবীতে ৭ টি মহাদেশ আছে।এর মধ্যে একমাত্র এশিয়ায় পৃথিবীর ৬২-৬৯ শতাংশ মুসলমান বাস করে।এন্টার্কটিকা বাদ দিল বাকি ৫ টি মহাদেশে ৮ শতাংশ করেও মুসলিম বসবাস করে না।  এশিয়া মহাদেশে ৪৯ টি সার্বভৌম দেশ রয়েছে। এশিয়ায় সর্বোচ্চ ১৯ টি মুসলিম দেশ আছে।বাকি ৩০ টি দেশের মানুষ ইসলাম ধর্মের অনুসারী নয়।এখন মধ্যযুগ নয় , চাইলেও পুরো বিশ্বে ইসলামিক শাসন সম্ভব নয়। রাশিয়া, ভারত , চীন এসব দেশ দখল করে ইসলামী শাসন চালু করবেন এসব স্বপ্নেও সম্ভব নয়। আধুনিক বিশ্বে উটের পিঠে পাখনা লাগিয়ে মহাবিশ্ব ভ্রমণের গল্প প্রচার করে মানুষকে ধোঁকা দেওয়া সম্ভব নয়। মুসলমানদের পৃথিবীতে পরাজয়ের সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে এদের উগ্রতা , জঙ্গীবাদ ও জ্ঞান বিজ্ঞানে পিছিয়ে পড়া।এরা এখনও বোকার মতো ঢিলা কুলুপ বানিয়ে মহাকাশ জয়ের স্বপ্ন দেখছে। পৃথিবীর ৫৭ টা মুসলিম দেশ খুঁজেও একটা ভালো গণতান্ত্রিক ইসলামিক রাষ্ট্র আপনি দেখাতে পারবেন না।তুরস্ক মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দু' একটি দেশ ছাড়া প্রায়ই মুসলিম দেশেই চলছে গৃহযুদ্ধ , দূর্ভিক্ষ ও রাজা- বাদশার শাসন। জ্ঞান ও বিজ্ঞানের চর্চা থেকে এরা হাজার হাজার মাইল দূরে। আমে...

আজ লিখতে বাধ্য হয়েছি

Image
------------------------------------------- নানকের আগে কোনো শিখ ছিল না! মুহাম্মদের আগে কোনো মুসলিম ছিল না! ঋষভদেবের আগে কোনো জৈন ছিল না! বুদ্ধের আগে কোনো বৌদ্ধ ছিল না!কার্ল মার্কসের আগে কোনো বামপন্থী ছিল না! কিন্তু : কৃষ্ণের আগে ছিলেন রাম... রামের আগে ছিলেন জমদগ্নি... জমদগ্নির আগে ছিলেন অত্রি... অত্রির আগে ছিলেন অগস্ত্য...অগস্ত্যের আগে ছিলেন পতঞ্জলি... পতঞ্জলির আগে ছিলেন কণাদ...কণাদের আগে ছিলেন যাজ্ঞবল্ক্য..যাজ্ঞবল্ক্যের আগে...সবাই ছিলেন "সনাতন বৈদিক" অনুসারী..!"রাজনৈতিক দাবার" এই "১২টি চাল" ভালোভাবে "দেখুন এবং বুঝুন..। ০১. "মুঘলরা" হয়ে গেল "ভারতীয়"...? আর, "ভারতীয়রা" হয়ে গেল "কাফির"...? ০২. "ঘিয়াসউদ্দিন খান":-মোতিলাল, জওহরলাল "নেহরু"-ইন্দিরা, রাজীব, -মাইনো, এরা সবাই হয়ে গেল "গান্ধী"..?আর.., "ভারতীয়রা", "বোকারা"....? ০৩."মোমিন" হয়ে গেল "কাশ্মীরি"...?আর, "কাশ্মীরি পণ্ডিতরা" হয়ে গেল "উদ্বাস্তু"....? ০৪....

"নোটবন্দী " - আজ‌ও লোকজন জানে না তার আসল কারন ..

Image
কংগ্রেসের ভারত স্বনির্ভর হ‌ওয়ার জন্য কখনো তৈরি ছিল না , তাই নোটের waterproof কাগজের জন্য স্বাধীনতার পর থেকেই বাইরের দেশের উপর নির্ভরশীল আমরা ... এটাকে ভারতের economy ধ্বংসের কাজে লাগানো শুরু হয় আমাগো economist PM এর আমলে ... 2004 এ অন্য সব বিদেশি company বাদ দিয়ে De La Rue নামে নামে একটি মাত্র বিট্রিশ company কে নোটের জন্য প্রয়োজনীয় সব material supply করার সুযোগ করে দেয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম... এই হচ্ছে সেই company যে পাকিস্তানকেও same জিনিস supply করত পাক currency র জন্য .... কোন security check up ছাড়াই চিদাম্বরম এটা করে ... দাউদ ইব্রাহিম এর D company এই সুযোগে ISI এর সাথে হাত মিলিয়ে 500/1000 টাকার নোট তৈরি করে নেপাল border দিয়ে UP,  বাংলাদেশের border দিয়ে  পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে দিয়ে দেশে এই নোট পাঠাতে শুরু করে, মালদা তো এই সময়ে নকল নোটের hub হয়ে গিয়েছিল... 2000 র পরে পার্লামেন্টে attack, 26/11 এর মত নানান ছোট বড় পাক নাশকতার শিকার হয় ভারত , কাজে লাগে এই নকল নোট.... এই নোট এমন ভাবে তৈরি হয়েছিল যে ATM মেশিন পর্যন্ত এটা ধরতে পারতো না, কারন ওই De La Ru...

"যতক্ষণ না পর্যন্ত আমি মারাঠাদের অস্তিত্ব শেষ করে দেবো... ততক্ষণ না আমি মুকুট পরবো আর না শান্তির নিঃশ্বাস নেবো।"

Image
"যতক্ষণ না পর্যন্ত আমি মারাঠাদের অস্তিত্ব শেষ করে দেবো... ততক্ষণ না আমি মুকুট পরবো আর না শান্তির নিঃশ্বাস নেবো।" ​ওদিকে মারাঠারা প্রতিজ্ঞা নিলো – ছত্রপতি সম্ভাজী মহারাজের বীরত্ব আর বলিদান বিফলে যাবে না... আমরা মুঘল সাম্রাজ্য আর ঔরঙ্গজেবের কবর এই মাটিতেই খুঁড়ে দেবো......হর হর মহাদেব । ​একদিকে মুঘল সেনা লাখের সংখ্যায়... ঔরঙ্গজেব মারাঠাদের অস্তিত্ব শেষ করে দেওয়ার জন্য আরও বেশি শক্তি জোগাড় করছিলো, আর অপরদিকে একজন ১৯ বছরের ছেলে আর ২০ হাজারের একটা ছোটো সৈনিক সংঘ কোনো দিক থেকেই মোগল সেনার সামনে টেকার ক্ষমতা রাখে না। ​ঔরঙ্গজেব কি সফল হবে 'নিজের মনের ইচ্ছায়' না মারাঠারা নেবে নিজেদের প্রতিশোধ? ​যখন ধর্মবীর ছত্রপতি সম্ভাজী মহারাজ হিন্দু স্বরাজের জন্য নিজের প্রাণ ত্যাগ করলেন, তখন পুরো মারাঠা সাম্রাজ্য গভীর শোকে ডুবে গেলো। ​ঔরঙ্গজেব আর মুঘল সাম্রাজ্য, যেটা মারাঠাদের বিনাশ মনে করছিলো, সেটা আসলে মুঘল সাম্রাজ্যের বিনাশের শুরু ছিলো আর সূর্যোদয় ছিলো মারাঠা সাম্রাজ্যের। ​কারণ যেখানে ঔরঙ্গজেব আর মুকাররব খান জিতের আনন্দে ডুবে ছিলো, সেখানে মারাঠা সাম্রাজ্য ঔরঙ্গজেব আর মুকাররবে...

যে যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে ছটফট করে মরেনি সে মুঘল ছিলোই না।

Image
আজকে আমি ভারতের বিশাল সাম্রাজ্য বিস্তার করা সেই মুঘল বাদশাদের শেষ সময় আর তাদের মৃত্যুর ব্যাপারে বলবো।  আপনারা তাদের প্রশংসায় অনেক সিনেমা আর অনেক গল্প শুনেছেন হয়তো।  আসুন জানি 'এত বিশাল সেনা রাখা বাদশাদের কে আর কি ভাবে মেরেছিলো।  এখানে আপনারা আলাউদ্দিন খিলজি থেকে সুর করে ঔরঙ্গজেব, আকবর আর বাবরের মৃত্যুর সঙ্গে জুড়ে থাকা রহস্যর ব্যাপারে বলবো  'এটা ছাড়াও তাদের সঙ্গে জুড়ে থাকা এমন কিছু কথা বলবো যেটা মনে হয় না আপনারা শুনেছেন।  বাবর - বাস্তবে সে শুধু দিল্লী জিততে সক্ষম হয়েছিলো কিন্তু তাকে সম্রাট কেনো বলা হলো সেটা আমি আজও জানি না।  তার একজন প্রিয় ছিলো বাবুরী আনদিজানী 'বাবর তাকে প্রথমবার ১৪৯৯ তে উজ্বেকিস্থানের ক্যাম্প বাজারে দেখেছিলো আর তার প্রেমে পড়ে গিয়েছিলো।  বাবর নিজের আত্ম বাবুর নামাতে (Babur Nama) অনেকবার বাবুরীর উল্লেখ করেছে।  বাবুরী আনদিজানীর ব্যাপারে বেশি তথ্য উল্লেখ নেই কেনো না বাবর নিজের আত্ম কথাতে বাবুরীর প্রতি নিজের প্রেম জাহির করার জন্য অনেক দোহা লিখেছে।  ভারতবর্ষে মুঘলীয়া সাম্রাজ্যের শুরু করা বাবর জন্ম ১৪ ফেব্রুয়ারি ...

#কাশ্মীর_To_কলকাতা

Image
ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর শাসনকালে ভারতবাসী সেটাই জেনেছে, যেটা তাঁর শিক্ষামন্ত্রীরা ইতিহাস বইয়ে লিখিয়ে গেছে.... যে ইতিহাসে ক্ষমতার জোরে অন্যের মা-বোন-বউকে শয্যাসঙ্গিনী করা জাহাঙ্গীর বড় প্রেমিক, হারেমে কয়েকশ বউ থাকা শাহজাহান, পতি পরম গুরু ও কাশী বিশ্বনাথ সহ শত শত মন্দির ধ্বংস করা ঔরঙ্গজেব শিক্ষিত পণ্ডিত ও উদারমনা..... সেই ইতিহাসে কাশ্মীর, নোয়াখালি ও কলকাতার হিন্দু নিধন যে স্থান পাবে না....সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না....তবে সময় পাল্টাচ্ছে..... একটা কাশ্মীর ফাইলস দেখেই গেল গেল রব... আঁতকে উঠেছে সেকুলার সমাজ.... সবে একজন ডাইরেক্টর একটু সাহস দেখাতে পেরেছেন...বাকি এখনও অনেক কিছু..... নোয়াখালী ফাইলস, কলকাতা ফাইলস, সিতাকুন্ড ফাইলস, কালশিরা ফাইলস, চুকনগর ফাইলস, নাচোল ফাইলস, ভৈরব ব্রিজ ফাইলস, ঢাকা ফাইলস, সিলেট ফাইলস, যশোর ফাইলস...আরও কত ফাইলস যে দিনের আলো দেখতে চায়...ইতিহাস বইয়ের পাতায় আসতে চায়... তা লিখে শেষ করা যাবে না..... বাংলাদেশে কোথায় কোথায় কি কি হয়েছিল....সেটা ছদ্ম সেকুরা ছাড়া সবাই জানে, বুঝতে পারে....কারন স্বাধীনতা পর্ব থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদ...

জন্ম ও বৈবাহিক সূত্রে মু চলিম হওয়া সত্ত্বেও মুমিনা বেগম (ইন্দিরা গান্ধী) বোরখা পরতেন না কেন?

Image
জন্ম ও বৈবাহিক সূত্রে মু চলিম হওয়া সত্ত্বেও মুমিনা বেগম (ইন্দিরা গান্ধী) বোরখা পরতেন না কেন?  যদি তিনি হিন্দু হ'ন, তবে কেন তিনি জীবনেও শাঁখা সিঁদুর শরীরে তোলেন নি? তিনি কোন শাক্ত, শৈব বা বৈষ্ণব উপাসক ছিলেন না, এছাড়া হিন্দুরীতি অনুযায়ী দীক্ষাও নেন নি।...তবে হিন্দুদের বোকা বানাতে গলায় রুদ্রাক্ষ পরতেন কেন? কেন তিনি ফিরোজ জাহাঙ্গীরের সঙ্গে 'লন্ডন মসজিদ'-এ মু সলিম রীতি অনুযায়ী নিকাহ করেও, একটা ফেক মিথ্যে হিন্দু রীতি অনুযায়ী বিয়ে করার ছবি ছড়িয়ে দিয়েছিলেন হিন্দুদের বোকা বানাতে? মুমিনা যদি গান্ধীই হ'ন, অর্থাৎ হিন্দুই হ'ন, তবে কেন তাকে সৌদি বাদশাহ Al-Arabiyya al-Saudiyya মক্কায় হজ করতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন এবং তিনি হজ করে হাজি হয়েছিলেন? অমুসলিমদের তো হজ করার অনুমতি নেই !!! [তথ্যসূত্র- ‘Reminiscences of the Nehru Age’ (now banned by the Indian Government) written by Shri. M.O. Mathai, Nehru’s personal secretary.] K.N. Rao - এর লেখা "THE NEHRU DYNASTY" পড়লে প্রশ্ন আসে Kamala Kaul এবং Jawaharlal Nehru এর মধ্যে কি সম্পর্ক ছিল? কমলা কাউল এর সঙ্গে নেহেরুর বিয়...

উলঙ্গ, উন্মুক্ত ইতিহাসের পাতায় যারা চিরকালীন বঞ্চিত ছিল।

Image
আটশো বছর মরু দস্যুদের বর্বরতার পাশাপাশি জাত পাতের দলাদলি। কখনও মন্দির ভাঙে তো কখনও জোর করে ধর্মান্তরকরণ। তারপরে লাল ইংরেজদের অকথ্য শোষণ ও অত্যাচার। সেখানেও একই কায়দায় দলে দলে ভ্যাটিকান প্রশিক্ষিত বিভিন্ন এজেন্টের আনাগোনা। দেশটার গরীব ও সহজ সরল মনের আদিবাসী মানুষ গুলোকে ধর্মের ভয়, অর্থের লোভ দেখিয়ে খ্রিস্টান বানানো হলো। এক দিনের গল্প নয় পুরো হাজার বছরের ইতিহাস। এর পরেই খাতায় কলমে দেশ স্বাধীনের স্বীকৃতি।দেশটাকে স্বাধীন হতেও হল  শর্ত রেখে, তিন টুকরো করে। একটুকরো ভারত অপরটা পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান। এরই মাঝে দেশে জঘন্য রাজনীতি। দেশের জন্য গৃহস্থ ত্যাগ করে সন্ন্যাসের পথে নিজেকে নিয়ে যেতে হয়েছিল নেতাজিকে। তাকে চক্রান্তের শিকার হতে হলো। একদল বলেছিল পাকিস্তানকে নিজের অধিকার না দিয়ে ভারত কখনই স্বাধীন হতে পারে না। আগে পাকিস্তান দাও তারপর ভারত স্বাধীন হবে।আজ্ঞে, জ্যোতি ব্রিগেড বামপন্থী দলের কথা বলছি !! এরপরে, মুসলিম লীগ তখন অবিভক্ত বাংলার মসনদে। তাই রাজনৈতিক ক্ষমতার ব্যবহার করে তারা নোয়াখালী আর দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং এর মতো হিন্দু হত্যা যজ্ঞ চালিয়ে গেল। তারা বুঝিয়ে দিলো নতুন দে...

রাজনৈতিক দাবার" "১২টি চাল" মনোযোগ সহকারে পড়ুন এবং বুঝুন....?

Image
গুরু নানকের আগে কোনও শিখ ছিল না! মুহম্মদের আগে কোনও মুসলিম ছিল না! ঋষভদেবের আগে কোনও জৈন ছিল না! বুদ্ধের আগে কোনও বৌদ্ধ ছিল না! কার্ল মার্ক্সের আগে কোনও বামপন্থী ছিল না! কৃষ্ণের আগে রাম ছিলেন... রামের আগে জমদগ্নি ছিলেন... জমদগ্নির আগে অত্রি ছিলেন... অত্রির আগে অগস্ত্য ছিলেন... অগস্ত্যের আগে পতঞ্জলি ছিলেন... পতঞ্জলির আগে কণাদ ছিলেন.... কণাদের আগে যাজ্ঞবল্ক্য ছিলেন... যাজ্ঞবল্ক্যের আগেও... সকলেই "সনাতন বৈদিক" অনুসারী ছিলেন..! এই "রাজনৈতিক দাবার" "১২টি চাল" মনোযোগ সহকারে পড়ুন এবং বুঝুন....? ০১. মুঘলরা "ভারতীয়" হয়ে ওঠে এবং "ভারতীয়", "কাফির" হয়ে ওঠে...?  ০২. গিয়াসউদ্দিন খান" হয়ে ওঠেন মতিলাল, জওহরলাল "নেহরু" তাঁর কন্যা ইন্দিরা, রাজীব - মাইনো থেকে, তারা সবাই হয়ে ওঠেন "গান্ধী"!! আর..."ভারতীয়" - "বোকা"!! ০৩. "মোমিন" হয়ে ওঠেন "কাশ্মীরী"...? আর, "কাশ্মীরী পণ্ডিত", "শরণার্থী"....? ০৪. "বাংলাদেশী" হয়ে ওঠেন "বাঙালী...

একজন হিন্দু মেয়ে মুসলিম ছেলেকে বিয়ে করার আগে যা জানা দরকার:

Image
ভারতে আন্তঃধর্মীয় বিবাহ (Inter-faith marriage) এখন বেশ সাধারণ হয়ে উঠছে। কিন্তু এমন বিয়েতে উভয় পক্ষের, বিশেষ করে মেয়েটির, নিজের অধিকার, আইনি পরিণতি, এবং ভবিষ্যতে সম্পত্তি উত্তরাধিকার সম্পর্কিত বিষয়গুলি আগে থেকেই জানা খুব জরুরি। সম্প্রতি, গুজরাটের এক ৩০ বছরের কাছাকাছি বয়সী জৈন মেয়ে (ধরুন নাম নিত্যা, এমবিএ ইন ফাইনান্স) আমার কাছে একটি ব্যক্তিগত বিষয়ে পরামর্শ নিতে এসেছিল। সে বলল, সে তার এক মুসলিম সহকর্মী (সুন্নি)-এর সঙ্গে “গম্ভীর সম্পর্কে” আছে এবং দু’জনেই বিয়ের কথা ভাবছে। নিত্যার পরিবার রক্ষণশীল, তারা এই বিয়েতে রাজি নয়, কিন্তু নিত্যা বিশ্বাস করে বিয়ের পর সবাই মেনে নেবে। ছেলেটির পরিবার রাজি, তবে তাদের শর্ত, নিত্যাকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হতে হবে এবং বিয়েটা নিকাহ মারফত হতে হবে, যাতে আত্মীয়-স্বজনদের আপত্তি না থাকে। নিত্যা জানতে চাইল, আইন অনুযায়ী তার কী কী অধিকার থাকবে, বিয়ে ভেঙে গেলে কী হবে, এবং কোন পথে তার স্বার্থ সুরক্ষিত থাকবে। আমি বললাম, “আমি একজন আইনজীবী হিসেবে তোমাকে আইন বুঝিয়ে বলব, লাভ-ক্ষতি দুটো দিকই জানিয়ে দেব।” এই আলোচনা যেহেতু অনেকের উপকারে আসতে পারে, আম...