Posts

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার ( অন্নপূর্ণা যোজনা)অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি:

Image
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার ( অন্নপূর্ণা যোজনা) অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি: সরাসরি ভাতা দিলে তা সাময়িক উপকারে আসে এবং তা মূলত দৈনন্দিন খরচে শেষ হয়ে যায়।  কিন্তু সেই টাকা সম্পদ সৃষ্টিতে (Asset Creation) এবং উৎপাদনে ব্যবহার করলে তা স্থায়ী কর্মসংস্থান তৈরি করে,  যা রাজ্যের জিডিপি (GDP) বাড়াতে এবং নারীদের প্রকৃত ক্ষমতায়নে সাহায্য করে। খরচের হিসেব প্রথম কিস্তি (জুন ২০২৬): জুন মাসের ৩ তারিখে যখন প্রথম এই প্রকল্পের টাকা দেওয়া হয়, তখন যাচাইকরণের পর ২৮ লক্ষ ২৫ হাজারেরও বেশি মহিলা প্রথম দফার টাকা পেয়েছে  দ্বিতীয় কিস্তি (১ জুলাই ২০২৬): জুলাই মাসের ১ তারিখে উপভোক্তা ১ কোটি ৩০ লক্ষ  সংখ্যায় প্রকাশ: ১৩,০০০,০০০ × ৩,০০০ কোটি হিসেবে: ৩,৯০০ কোটি টাকা (প্রতি মাসে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই পরিমাণ টাকা উপভোক্তাদের দিতে খরচ হয়েছে )। ভবিষ্যতের লক্ষ্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে স্ক্রুটিনি এবং নতুন আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে রাজ্যের প্রায় ২ কোটি যোগ্য মহিলা এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন। সংখ্যায় প্রকাশ: ২০,০০০,০০০ × ৩,০০০ কোটি হিসেবে: ৬,০০০ কোটি টাকা (সব যোগ্য উপভোক্তা যুক্ত হলে প্রতি মা...

সালটা 1971 ভারতীয় সেনাবাহিনী সিন্ধুর থারপারকার জেলাকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করে গুজরাটের একটি নতুন জেলা হিসেবে ঘোষণা করেছিল এবং মুজাফফারাবাদ সংসদের উপর ত্রিবর্ণ পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল

Image
আমরা প্রায়শই ১৯৭১ সালের যুদ্ধের জন্য ইন্দিরা গান্ধীর প্রশংসা করি, কিন্তু পাকিস্তানের সংসদে বেনজির ভুট্টোর স্বামী আসিফ আলী জারদারির দেওয়া এই বিবৃতিটি আমাদের অবশ্যই পড়া উচিত। যখন ৯০,০০০-এরও বেশি পাকিস্তানি সৈন্য ভারতীয়দের হাতে বন্দী ছিল এবং তাদের ৩,০০০-এরও বেশি সামরিক কর্মকর্তা আমাদের হেফাজতে ছিলেন... তখন পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল। .....ভারতীয় সেনাবাহিনী সিন্ধুর থারপারকার জেলাকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করে গুজরাটের একটি নতুন জেলা হিসেবে ঘোষণা করেছিল এবং মুজাফফারাবাদ সংসদের উপর ত্রিবর্ণ পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। .....জুলফিকার আলী ভুট্টো যখন ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষর করতে এসেছিলেন। তখন তিনি তাঁর কন্যা বেনজির ভুট্টোকে সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন।জুলফিকার আলী ভুট্টো তাঁর কন্যাকে রাজনীতি শেখাচ্ছিলেন। .....ইন্দিরা গান্ধী জুলফিকার আলী ভুট্টোর সামনে একটি শর্ত রাখলেন...  "যদি আপনি আপনার ৯৩,০০০ সৈন্য ফেরত চান, তবে আপনাকে কাশ্মীর হস্তান্তর করতে হবে।" জুলফিকার আলী ভুট্টো ইন্দিরা গান্ধীকে বললেন... "আমরা আপনাকে কাশ্মীর দেব না, আমি কোন কিছুতে স্বাক্ষ...

কলকাতার আদী গংগার যদি সংস্কার হয় তবে পশ্চিমবঙ্গে সরকারের প্রতিমাসে মিনিমাম হাজার কোটি টাকা আয় হবে কিভাবে হবে

Image
কলকাতার আদী গংঙ্গা যদি সংস্কার হয়  তবে  পশ্চিমবঙ্গে সরকারের প্রতিমাসে মিনিমাম হাজার কোটি টাকা আয় হবে  কিভাবে হবে চলুন দেখাযাক 1:- কলকাতা এরিয়া আদী গংগার শুরু থেকে শেষ অবধি  নদীর দুই পাড়ে যতোটা জমি নদীর আওতায় পরে সেই জমি রেলিং দিয়ে ঘিরে নদীর একদম পাশাপাশি ফুটপাত তৈরী করা  এবং ফুটপাত আর রেলিংয়ের মধ্যে যে জমি থাকবে তাতে বিভিন্ন ধরনের ছোট গাছ লাগিয়ে   লাইটিং দিয়ে সাজিয়ে পার্ক তৈরী করা ( প্রবেশ ফ্রী থাকবে ) কোনপ্রকার যানবাহন ঢোকা নিষিদ্ধ করতে হবে 2 :- 1 অথবা 2 কিলোমিটার অন্তর অন্তর গাড়ি পার্কিংয়ের (পার্কিং ফি দিয়ে) ব‍্যাবস্থা রাখতে হবে 3:- প্রত‍্যেক পার্কিংয়ে সরকারি ভাবে  কিছু পার্মানেন্ট ফাস্টফুডের স্টল তৈরী করে ভাড়ায় দিতে হবে 4:- আদী গংঙ্গার শুরু থেকে শেষ অবধি  প‍্যাসেঞ্জার বোট চালাতে হবে ( তাহলে কলকাতার বাসের ভির কুমবে এবং রাস্তায় যনজট কুমবে ) 5:- পর্যটকদের জন্য ছোট ছোট বোট চালাতে হবে শুধুমাত্র কলকাতা এরিয়ার মধ্য  আদী গংঙ্গার এবং কলকাতার উন্নতি নিয়ে চিন্তাভাবনা করলে আরো বহু কিছু করা সম্ভব  #everyoneシ゚ #reels #FacebookPage ...

গান্ধীজি অহিংস ছিলেন না। অহিংস ছিল তাঁর মুখোশ।

Image
নেতাজি সুভাষকে তিনি কংগ্রেস থেকে সরিয়েছিলেন হিংসার অনলে জ্বলে। প্রমাণ ১৯৩৯ সালে ত্রিপুরি কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন। সুভাষ নির্বাচনে দাঁড়ালেন গান্ধীজির অমতে। কী এত বড় স্পর্ধা সুভাষের! গান্ধীজি অবাক। তাই তিনি তাঁর মনোনীত প্রার্থী পট্টভি সীতারামাইয়াকে সুভাষের বিরুদ্ধে দাঁড় করালেন। জয়ী হলেন সুভাষ। ফল হল মারাত্মক।               গান্ধী ও নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু নির্বাচনে নেতাজীর জয় লাভের পর গান্ধীজির উক্তি: ‘The defeat of Pattabhi Sitaramyya is my defeat’ অর্থাৎ পট্টভি সীতারামাইয়ার পরাজয় মানে আমার পরাজয়।’ এ কী সাংঘাতিক কথা! জনগণের ভোটে নির্বাচিত সভাপতি সুভাষচন্দ্র বসুর জয়ে হঠাৎ মহাত্মার মত মানুষের এই ধরনের উক্তির কারণ কী? কারণ হিসেবে বলা হল গান্ধীজির নীতির কথা। গান্ধীজি অহিংসার পুজারী, অহিংস নীতিতে বিশ্বাসী। সুভাষ ঠিক এর বিপরীত। তাই সুভাষের জয় মানেই গান্ধীজির অহিংস নীতির পরাজয়। কিন্তু সত্যিই কি তাই? আদৌ তা নয়।  অক্ষমতার জন্য অহিংসার বুলি। আসলে সুচতুর গান্ধীজিকে বিচলিত করেছিল সুভাষের জয়। তিনি চরম হিংসা করতেন নেতাজীর জনপ্রিয়তাকে...

ইতিহাসের দর্পণে ১৯৬৬-র গো-রক্ষা আন্দোলন: করপাত্রী মহারাজ ও ইন্দিরা গান্ধীর সেই ‘অভিশপ্ত’ অধ্যায়

Image
ভারতের রাজনৈতিক ও আধ্যাত্মিক ইতিহাসে ১৯৬৬ সালের ৭ই নভেম্বর একটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং বিতর্কিত দিন হিসেবে চিহ্নিত। এই দিনটি ছিল ‘গোপষ্টমী’। দিল্লির সংসদ ভবনের সামনে কয়েক লক্ষ সাধু-সন্ত ও গো-ভক্তদের ওপর পুলিশের গুলিচালনা এবং এর সাথে জড়িয়ে থাকা স্বামী করপাত্রী মহারাজের ‘অভিশাপ’ আজও জনশ্রুতি ও ঐতিহাসিক আলোচনায় প্রাসঙ্গিক। প্রতিশ্রুতি ও বিশ্বাসের প্রেক্ষাপট জনশ্রুতি এবং আধ্যাত্মিক গ্রন্থসমূহের বর্ণনা অনুযায়ী, লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর আকস্মিক প্রয়াণের পর যখন দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন নিয়ে জটিলতা চলছিল, তখন ইন্দিরা গান্ধী আশীর্বাদের জন্য প্রখ্যাত আধ্যাত্মিক সাধক স্বামী করপাত্রী মহারাজের শরণাপন্ন হন। করপাত্রী মহারাজ ছিলেন তৎকালীন হিন্দু সমাজের এক প্রভাবশালী কণ্ঠস্বর। তিনি ইন্দিরা গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আশীর্বাদ দিলেও একটি শর্ত দিয়েছিলেন— প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তাকে দেশজুড়ে ‘গো-বংশ’ হত্যা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করতে হবে। বলা হয়, ক্ষমতায় আসার মোহে ইন্দিরা গান্ধী সেই সময় এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ৭ নভেম্বর ১৯৬৬: সংসদ ভবনের সামনে সেই রক্তক্ষয়ী দিন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বেশ কিছু ...

#জওহরলাল_নেহেরুর কৌশলগত উদাসীনতার ফলে 97% বৌদ্ধ ও হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ চট্টগ্রাম কিভাবে পূর্ব পাকিস্তানের ভাগে চলে যায়, তাই নিয়েই কিছু তথ্য দেবো।

Image
1947 সালে দেশভাগের সময় চট্টগ্রাম (মূলত চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চল) পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পেছনে প্রধানত সিরিল র‍্যাডক্লিফ এবং জওহরলাল নেহেরুর কৌশলগত উদাসীনতাকে দায়ি করা হয়। সিরিল র‍্যাডক্লিফের নিজস্ব নথিতে উল্লেখ ছিলো যে, কলকাতা বন্দর ভারত পেয়ে যাওয়ায় পূর্ব পাকিস্তানের জন্য চট্টগ্রাম বন্দর অপরিহার্য। তাই চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলকে ওই বন্দর শহরের 'হিন্টারল্যান্ড' বা সংযোগকারী এলাকা হিসেবে পাকিস্তানের অধীনে দিয়ে দেওয়া উচিত।   পার্বত্য চট্টগ্রামের তৎকালীন জনসমিতি নেতা স্নেহা কুমার চাকমা এবং কামিনী মোহন দেওয়ান তাঁদের বিভিন্ন স্মৃতিকথা ও সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেছেন যে, তারা দিল্লিতে প্রায় 50 দিন অপেক্ষা করেও নেহেরুর কাছ থেকে কার্যকর কোনো প্রতিশ্রুতি পাননি। নেহেরু তখন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের দোহাই দিয়ে এবং র‍্যাডক্লিফের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার বাধ্যবাধকতা দেখিয়ে তাঁদের ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। এর পর চাকমা প্রতিনিধিরা ভারতের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের সাথে দেখা করলে তিনি সহানুভূতি দেখালেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেহেরুর হাতে থাকায় অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন। 19...

জাভেদ খানানি: এক অদৃশ্য যুদ্ধ এবং ভারতের নোটবন্দির নেপথ্য কাহিনী

Image
জাভেদ খানানি এবং ২০১৬ সালের নোটবন্দি বা ডিমোনিটাইজেশন নিয়ে একটি তথ্যবহুল ও রোমাঞ্চকর নিবন্ধ নিচে দেওয়া হলো :- জাভেদ খানানি: এক অদৃশ্য যুদ্ধ এবং ভারতের নোটবন্দির নেপথ্য কাহিনী আপনি কি মনে করেন সিনেমার পর্দায় দেখা ভয়ংকর সব ভিলেনরাই সবচেয়ে শক্তিশালী? যদি তাই ভেবে থাকেন, তবে আপনি হয়তো জাভেদ খানানি নামক এই রক্তমাংসের মানুষটি সম্পর্কে জানেন না। অপরাধ জগতের বড় বড় ডন বা ষড়যন্ত্রকারীরা একদিকে, আর এই জাভেদ খানানি ছিল অন্যদিকে। সে ছিল এমন এক ব্যক্তি, যে চাইলে একাই পুরো ভারতের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিতে পারত। এশিয়ার সবচেয়ে বড় হাওয়ালা নেটওয়ার্ক ২০১৬ সালের আগে পর্যন্ত জাভেদ খানানি এশিয়ার সবচেয়ে বড় হাওয়ালা নেটওয়ার্ক পরিচালনা করত। তার এই জাল এতটাই বিস্তৃত ছিল যে, কোনো শারীরিক নগদ অর্থ লেনদেন ছাড়াই সে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে কয়েক হাজার কোটি টাকা পাচার করে দিতে পারত। কিন্তু তার আসল চাল ছিল অন্য জায়গায়। পাকিস্তানের মাটিতে বসে সে উন্নত মানের জাল ভারতীয় মুদ্রা (Fake Indian Currency) ছাপাত এবং তার নিজস্ব হাওয়ালা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তা ভারতের বাজারে ছড়িয়ে দিত। ভারতের অর্থনীতিতে ক্যান...

মুজিবর রহমান ছিল অশিক্ষিত বা কুশিক্ষিত বাঙালি মুসলমান যার মধ্যে জাতীয়তাবোধের লেশমাত্রও ছিল না৷

Image
মুজিবর রহমান ছিল অশিক্ষিত বা কুশিক্ষিত  বাঙালি মুসলমান যার মধ্যে জাতীয়তাবোধের লেশমাত্রও ছিল না৷  সে  ছিল সীমাহীন লোভী, হিন্দু বিদ্বেষী বেইমান এবং ১৯৪৬ সালের " দাঙ্গায়" বাংলা প্রদেশের " প্রধানমন্ত্রী" এইচ এম সোহরাওয়ার্দী এর শাগরেদ৷ একমাত্র  এই লোকটার প্রতি বিশ্বস্ত থেকেছে এই দেশদ্রোহী, ভারতের মানুষের শত্রু মুজিবর৷ একই লোক দুইবার দেশ ভাঙায় সক্রিয় থেকেছে- গঠন মূলক কাজ কোনদিন কিছুই করে নি৷  কংগ্রেস দলের সহায়তায় বাংলায় মুসলিম লিগ দল ক্ষমতায় আসে  ১৯৪৩ সালে৷  কারণ ফজলুল হকের সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার গড়তে চায় নি গান্ধীর অনুগতরা৷ এর পর গণহত্যা এবং দেশভাগ যাতে অমুসলিমদের মরতে দিয়েই হয় পাকিস্তান৷ জিন্নাহ মানুষটাকে জাতীয়তাবাদী থেকে সঙ্কীর্ণ সাম্প্রদায়িক করেছিল সেই কংগ্রেস৷ এই দলের মূল চক্রী মোহন গান্ধীকে সময়ে হত্যা করা ছিল জরুরি৷ আধুনিক ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সের কি পার্সন বলা যায় এই নরাধম গান্ধীকে৷ সবচেয়ে অশিক্ষিত,   অযোগ্য অপদার্থ,ক্লীব,  সমাজবিরোধী লোকগুলাই তখন রাজনীতিতে৷ যে বিদ্যায় এক কোম্পানি বা সংস্থা চালানোর তত্ত্ব আলোচনা করা হয় সেটা দেশ...

আমি কেন গান্ধীকে হত্যা করেছি!

Image
সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি পাওয়ার পর প্রকাশিত নাথুরাম গডসের শেষ ভাষণ, যা ৬০ বছর ধরে ভারতে নিষিদ্ধ ছিল - #আমি কেন_গান্ধীকে_হত্যা করেছি! ১৯৪৮ সালের ৩০শে জানুয়ারী নাথুরাম গডসে করমচাঁদ গান্ধীকে গুলি করে হত্যা করেন। তবে তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাননি বরং আত্মসমর্পণ করেন। আদালতে নাথুরাম গডসের বক্তব্যের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ: আমি গান্ধীকে হত্যা করিনি। আমি গান্ধীকে বধ করেছি। তিনি আমার শত্রু ছিলেন না, কিন্তু তার সিদ্ধান্ত জাতির জন্য মারাত্মক প্রমাণিত হচ্ছিল। যখন একজন ব্যক্তির কাছে অন্য কোন বিকল্প থাকে না, তখন তাকে সঠিক কাজ করার জন্য ভুল পথ বেছে নিতে বাধ্য করা হয়। মুসলিম লীগের প্রতি গান্ধীর ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া এবং পাকিস্তান তৈরির ভুল নীতিই আমাকে বাধ্য করেছিল। পাকিস্তানের ৫৫ কোটি টাকা দেওয়ার অযৌক্তিক দাবির প্রতিবাদে গান্ধী অনশন ধর্মঘটে গিয়েছিলেন। দেশভাগের সময় পাকিস্তান থেকে পালিয়ে আসা হিন্দুদের অগ্নিপরীক্ষা এবং দুর্দশা আমাকে নাড়া দিয়েছিল। গান্ধীর কারণে অবিভক্ত হিন্দু জাতি মুসলিম লীগের কাছে আত্মসমর্পণ করছিল। একজন মাকে তার ছেলেদের সামনে টুকরো টুকরো করে ছিঁড়ে ফেলার দৃশ্য অসহনীয়...

প্রসঙ্গ মরিচঝাঁপি।

Image
আমরা ভুলবও না, ভুলতে দেবও না। মরিচঝাঁপি সুন্দরবনের একটি দ্বীপ—মূল ভূখণ্ড থেকে বহু দূরে, চারদিক নোনা জলে ঘেরা। এই দ্বীপের ইতিহাস শুধু একটি ভূখোলিক পরিচয়ের নয়, এটি বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুদের বেদনা, বঞ্চনা ও রক্তের ইতিহাস। দেশভাগ ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ফলে বহু বাঙালি হিন্দু তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, বর্তমান বাংলাদেশ থেকে প্রাণ বাঁচিয়ে পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নিতে আসে। প্রথম সারির উচ্চ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষরা কোনওভাবে কলকাতা ও অন্যান্য এলাকায় ঠাঁই পেলেও, দ্বিতীয় সারির বিপুল সংখ্যক নিম্নবিত্ত নমঃশূদ্র হিন্দু উদ্বাস্তুদের পশ্চিমবঙ্গে থাকতে দেওয়া হয়নি। তাদের জোর করে পাঠানো হয় দণ্ডকারণ্যের পাথুরে, জঙ্গলাকীর্ণ, আতিথেয়তাশূন্য অঞ্চলে—মূলত ওড়িশ্যা ও মধ্যপ্রদেশে। ১৯৭৭ সালে বামফ্রন্ট ক্ষমতায় আসার পর তৎকালীন মন্ত্রী রাম চ্যাটার্জী দণ্ডকারণ্যের উদ্বাস্তু শিবিরে গিয়ে তাদের পশ্চিমবঙ্গে ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দেন। সেই আশ্বাস ছিল মিথ্যে। ভাষাগত সমস্যা, খাদ্য ও পানীয়ের অভাব, ম্যালেরিয়া ও ডায়রিয়ার মতো ভয়াবহ পরিস্থিতিতে টিকে থাকা অসম্ভব হয়ে উঠলে ১৯৭৮ সালে হাজার হাজার উদ্বাস্তু আবার বাংলার পথে রওনা দেন। ...

🇮🇳 স্বাধীনতার_নায়করা 🇮🇳

Image
তিনি বাংলার প্রথম বোমার কারিগর, ভারতের প্রথম পতাকা এঁকেছিলেন তিনিই, কিন্তু আজ সেই মানুষটাই ইতিহাসে উপেক্ষিত। বিস্মৃতি সরিয়ে ফিরে দেখা ❝অগ্নিযুগের অস্ত্রগুরু দ্রোণাচার্য❞ হেমচন্দ্র কানুনগো..🌻 🇮🇳 #স্বাধীনতার_নায়করা 🇮🇳 ত্রিবর্ন রঞ্জিত পতাকা, গেরুয়া, সাদা, সবুজ। ভারতের জাতীয় পতাকা। কিন্তু এই ত্রিবর্ণ পতাকার প্রথম রূপ দিয়েছিলেন এক বাঙালি। কে মনে রেখেছেন হেমচন্দ্র কানুনগো কে? কেউ না। কেউ জানলই না মানুষটাকে। আসল নাম হেমচন্দ্র দাস কানুনগো। বিপ্লবী ভারতবর্ষের প্রথম জাতীয় পতাকার স্কেচ তৈরি করেন বিদেশের মাটি থেকে। সালটা ১৯০৭।জার্মানির স্টুয়ার্টগার্টে সেই পতাকা তুলে ধরেছিলেন ভিকাজী রুস্তম মাদাম কামা,একজন ভারতপ্রেমী স্বাধীনতা সংগ্রামী পার্সি মহিলা। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে জার্মানির স্টুটগার্ট শহরে বিশ্ব সোশালিস্ট কংগ্রেসের যে অধিবেশন হয় তাতে মাদাম ভিকাজি কামার সাথে তিনিও উপস্থিত ছিলেন। হেমচন্দ্র চিত্রশিল্পী ছিলেন বলে, কথিত আছে মাদাম কামার অনুরোধে লাল,গেরুয়া ও সবুজ রঙের তেরঙ্গা পতাকা তৈরি করেন এবং ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দের ২২ আগস্ট প্রবাসী ভারতীয়দের সম্মেলনে মাদাম কামা সেই পতাকা উত্তোলন করে ...

অজানা ভারতবর্ষ Discover India

Image
আমি যা লিখছি তার সার্টিফাইড লিংক রয়েছে, আপনারা সেখানে বিস্তারিত পড়বেন কারণ এখানে খুব বেশি লেখা সম্ভব নয়। ১৯ শতকের শুরুতে খিলাফত আন্দোলনের সাথে সাথে ভারতের মুুसলিম সম্প্রদায় ধর্মান্ধ হয়ে ওঠে, এবং হিন্দু ও তাদের মধ্যে তিক্ততা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে। তারপর ১৯২০ সালে, ভারতের প্রায় সব মসজিদে দুটো বই বিলি হতে দেখা গেল। একটা বইয়ের নাম "কৃষ্ণ তেরী গীতা জ্বালানি পড়েগি" আর দ্বিতীয় বইটির নাম হলো "উন্নীসবী সদী কা লম্পট মহর্ষি"। এই দুটো বইতে কোনও লেখক বা প্রকাশকের নাম পর্যন্ত ছিলনা। এই দুটি বইতেই ভগবান শ্রী কৃষ্ণ, হিন্দু ধর্ম ইত্যাদি নিয়ে অত্যন্ত অশ্লীল, অত্যন্ত জঘন্য কথা লেখা ছিল। ধীরে ধীরে এই দুটি বই ভারতের প্রতিটি মসজিদে বিতরণ করা শুরু হলো। বিষয়টি যখন মহাত্মা গান্ধীর কাছে পৌঁছেছিল, তখন মহাত্মা গান্ধী এটিকে মত প্রকাশের স্বাধীনতার বিষয় বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন যে ভারতে প্রত্যেকেরই তার মতামত প্রকাশের অধিকার রয়েছে, কিন্তু হিন্দুদের মধ্যে এই দুটি বই নিয়ে যথেষ্ট আক্রোশ ছিল। তারপর 1923 সালে, লাহোরে অবস্থিত রাজপাল প্রকাশকের মালিক মহাশয় র...

পুরাণে একটা দৃশ্য আছে, যেটা আমরা ছোটবেলা থেকে শুনে এসেছি, কিন্তু সত্যি বলতে কী—ঠিকভাবে বোঝার চেষ্টা খুব কমই করি।

Image
হিরণ্যকশিপু বধের পর নরসিংহ শান্ত হলেন না। বরং আরও ভয়ংকর হয়ে উঠলেন। এটাই সেই জায়গা, যেখানে গল্পটা শুধু “দেবতা বনাম অসুর” থাকে না—এটা সরাসরি মানুষের মনস্তত্ত্বে ঢুকে পড়ে। নরসিংহ অবতার ছিল সীমার বাইরে। না পুরো মানুষ, না পুরো পশু। না দিন, না রাত। না ঘর, না বাইরে। না অস্ত্র, না অনস্ত্র। মানে—সব নিয়ম ভাঙা একটা রূপ। হিরণ্যকশিপু মারা গেল, কিন্তু নরসিংহের রাগ থামল না। কারণ রাগটা আর বাইরের শত্রুর জন্য ছিল না। ওটা তখন নিজের ভেতরের আগুন। এখানেই একটা খুব অস্বস্তিকর সত্য লুকিয়ে আছে। আমরা অনেক সময় ভাবি— “যাকে মারতে চেয়েছিলাম, তাকে হারালেই শান্তি আসবে।” “যার বিরুদ্ধে লড়াই, সে শেষ হলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।” কিন্তু বাস্তবে কী হয়? ট্রমা শেষ হয় না। শরীর থামে না। নার্ভাস সিস্টেম বুঝতে পারে না যে যুদ্ধ শেষ। নরসিংহ তখন সেই অবস্থা। হিরণ্যকশিপু শুধু একটা ব্যক্তি ছিল না। সে ছিল অত্যাচার, ভয়, অবদমন, অহংকার—সবকিছুর প্রতীক। তাকে মারার জন্য যে শক্তি ডাকা হয়েছিল, সেই শক্তি এতটাই প্রবল ছিল যে, কাজ শেষ হওয়ার পর আর নিজেকে গুটোতে পারছিল না। আজকের ভাষায় বললে— নরসিংহ ছিল একেবারে fight-response stuck mode-এ। এজন্যই...

জানেন কি, বেগুনের জন্ম কৈলাসে?

Image
 ব্রহ্মলোকে বেগুন নেই, বিষ্ণুলোকে বেগুন নেই, ইন্দ্র, বরুণ, সূর্যদেব দুটো বেগুনের জন্যে কত না হাপিত্যেশ করেন, আর দেবাদিদেব মহাদেব কিনা ফি রোজ বেগুন ভাজা দিয়ে ভাত খান! আর তাই সব দেবতা রেগে গিয়েই ওটার নাম দিয়েছে, ‘বে-গুণ'। আঙুর ফল টক, আর কী!  কিন্তু যা ব্রহ্মলোকে নেই, বিষ্ণুলোকে নেই, তা আমাদের এই মর্তলোকে কীভাবে এল, জানেন কি? সে এক কাহিনি! শিবের অনুচর দেদার। নন্দী, ভৃঙ্গী, ঘন্টাকর্ণ, বীরভদ্র, আরও কত ভূত পিশাচের দল। কেউ বাবার জন্যে কেউ সিদ্ধি কোটে, কেউ ছিলিম সাজায়, কেউ অনুপান সাজায়। তেমনই একজনের নাম বিঘোর। সে বাগানের সুপারভাইজার। কৈলাসে শিবালয়ের পিছনের বাগানে বেগুনের বিশাল চাষ ওই তো সামলায়। প্রতিদিন বেগুন কাঁটার খোঁচা খেয়ে বেছে বেছে ওই তো বেগুন নিয়ে আসে বাবার জন্যে। বাবার আর তো কোন চাহিদা নেই। দিনভর সিদ্ধি-ভাঙ; আর স্রেফ ভাতের পাশে কটা বেগুন ভাজা ছাড়া।    তা একদিন হয়েছে কী, বিঘোর ব্যাটা ধুতুরার বীজ খেয়ে কৈলাসের ফুটপাতে ফুলহার নামে এক যক্ষিণীকে ‘আই লাভ ইউ’ বলে হাতটি ধরে ফেলেছে। বিষম রেগে মহাদেব মদনের মতো ভস্মই করে দিচ্ছিলেন, পরে দয়া করে কৈলাস থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার...

কে এই কমিউনিস্ট নেতা বিশ্বাসঘাতক???

Image
১৯৪২ সালের ডিসেম্বর মাসে নেতাজির সহচর কমিউনিস্ট নেতা ভগতরামকে গ্রেপ্তার করে ব্রিটিশ পুলিশ। পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দীতে সে নেতাজীকে বিশ্বাসঘাতক বলে। এবং সে যে নেতাজীর সঙ্গে ঠান্ডা মাথায় বেইমানি করেছে, সেটাও স্বীকার করে। তার ফলে নেতাজীকে আশ্রয় দেওয়া উত্তম চন্দ গ্রেপ্তার হন। মানব মনস্তত্ত্ব বিশাল জটিল জিনিস। দুর্বল পুরুষরা জোর গলায় পৌরুষের অহংকার করে বেড়ায়। আর বিশ্বাসঘাতকরা আজকাল সাভারকর, শ্যামাপ্রসাদের মত অন্য ঘরানার নেতাদের খুঁত ধরে বেড়ায়।  ———— তথ্যসূত্র সহ পুরাতন পোস্ট:  অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টাইমলাইন আরেকবার ঝালিয়ে নেওয়া যাক। অনেকেই জানেন। তাও আরেকবার... ১৯৪১ সাল। জানুয়ারি ১৬-১৭। এলগিন রোডের বাড়ি থেকে গৃহবন্দী অবস্থা থেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু বেরিয়ে এলেন। কলকাতা থেকে বেরালেন ইন্সুরেন্স এজেন্ট মহম্মদ জিয়াউদ্দিন পরিচয়ে। ব্রিটিশ আমলে মুসলিম পরিচয় নেওয়াটা তুলনামূলকভাবে সেফ ছিল বলেই কি এমন ছদ্মবেশ? সেই নিয়েও বিতর্ক আছে। সে থাক।  ১৯৪১ সাল। জানুয়ারি। স্থলপথে পেশোয়ার পৌঁছলেন সুভাষচন্দ্র বসু। উদ্দেশ্য আফগান প্রদেশ পেরিয়ে যাওয়া এবং সোভি...

জবাব তোমায় দিতেই হবে—

Image
⁉️কারা শহীদ ভগৎ সিং এর ফাঁসির সমর্থন করেছে? ⁉️কারা সর্দার উধম সিং এর ফাঁসির সমর্থন করে? ⁉️কারা দেশবন্ধুকে দল ছাড়তে বাধ্য করে? ⁉️কারা নেতাজিকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে? ⁉️ কারা নেতাজি ফিরলে তলোয়ার দিয়ে তাঁকে হত্যা করবে বলেছিল?  ⁉️কারা নীলগঞ্জের 3000 INA সেনার হত্যার পিছনে ব্রিটিশদের মদত দিয়েছিল? ⁉️কারা পঞ্চম জর্জের স্ট্যাচু ইন্ডিয়া গেটে রেখে পুজো করতো? ⁉️কারা ভারতমাতার বদলে লেডি মাউন্টব্যাটেন পূজা করতো? ⁉️কারা রমেশ মজুমদার, যদুনাথ সরকারের ইতিহাস মুছে দিয়েছে? ⁉️কারা যোজনা কমিশনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে নেতাজির নাম মুছে দিয়েছে? ⁉️কার স্বার্থে মুখার্জী কমিশনের রিপোর্ট আস্তাকুড়ে ফেলে দেয়া হয়? ⁉️কারা 42 এর দুর্ভিক্ষে নেতাজির পাঠানো খাবার ফিরিয়ে ব্রিটিশদের সাহায্য করেছিল গণহত্যায়? ⁉️1947 এ পাঞ্জাবী রিফিউজিদের শীতের রাতে মসজিদ থেকে বের করে মৃত্যু মুখে ঠেলে দেয় কারা? ⁉️ব্রিটিশরা কোন নেতাদের গ্রেপ্তার করে জেলের বদলে রাজপ্রাসাদে গৃহবন্দী রাখতেন? ⁉️কারা আজাদ হিন্দ সরকারকে ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে দিয়েছিল? ⁉️কারা নৌবিদ্রোহ ইতিহাস থেকে মুছে দেয়? ⁉️তাহলে ব্রিটিশের দালাল কে? ...

গান্ধী কেন মুসলিম সম্প্রদায়ের সমর্থক ছিলেন?

Image
গান্ধী কেন মুসলিম সম্প্রদায়ের সমর্থক ছিলেন? (অধ্যাপক কে. এস. নারায়ণাচাৰ্য তাঁর বইতে কিছু সংকেত দিয়েছেন...) এটি সর্বজনবিদিত যে নেহেরু এবং ইন্দিরা মুসলিম সম্প্রদায়ের সাথে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু খুব কম মানুষই গান্ধীজির জাতিগত শিকড় সম্পর্কে জানেন। আসুন দেখা যাক অধ্যাপক কী কী কারণ তুলে ধরেছেন: ১. মোহনদাস গান্ধী ছিলেন করমচাঁদ গান্ধীর চতুর্থ স্ত্রী পুতলিবাঈয়ের পুত্র। পুতলিবাঈ মূলত 'প্রণামী' সম্প্রদায়ের ছিলেন। দাবি করা হয় যে, এই প্রণামী সম্প্রদায় হিন্দু বেশে একটি ইসলামিক আদর্শ দ্বারা প্রভাবিত সংগঠন। ২. মিস্টার ঘোষের বই "দ্য কোরান অ্যান্ড দ্য কাফির"-এ গান্ধীর বংশপরিচয় নিয়ে বিতর্কিত উল্লেখ রয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে যে, করমচাঁদ এক মুসলিম জমিদারের অধীনে কাজ করতেন এবং অর্থ চুরির দায়ে আত্মগোপন করেন। সেই সময় ওই জমিদার পুতলিবাঈকে নিজ আশ্রয়ে রাখেন। মোহনদাসের জন্মের সময় করমচাঁদ তিন বছর নিখোঁজ ছিলেন। ৩. গান্ধীজির জন্ম ও বেড়ে ওঠা গুজরাটি মুসলিমদের পরিবেশেই হয়েছিল। ৪. লন্ডনে আইন পড়ার (লন্ডন ল কলেজ) সমস্ত খরচ তাঁর তথাকথিত মুসলিম পৃষ্ঠপোষকই বহন করেছিলেন। ৫. দক্ষিণ আফ্রিকায় গা...

দীনদয়াল উপাধ্যায় ও অখণ্ড মানবতাবাদ''

Image
আধুনিক ভারতের রাজনৈতিক ও দার্শনিক চিন্তাজগতে দীনদয়াল উপাধ্যায় (১৯১৬–১৯৬৮) একটি বিশেষ ও স্বতন্ত্র নাম । তিনি ছিলেন একাধারে একজন আদর্শনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ, গভীর দার্শনিক চিন্তাবিদ এবং দক্ষ সংগঠক, যাঁর চিন্তাধারা পরবর্তীকালে ভারতীয় রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ আদর্শ ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় । ভারতীয় জন সংঘের অন্যতম প্রধান নেতা হিসেবে তাঁর ভূমিকা যেমন উল্লেখযোগ্য, তেমনই তাঁর প্রবর্তিত ‘অখণ্ড মানবতাবাদ’ ভারতীয় রাজনৈতিক দর্শনে এক মৌলিক সংযোজন হিসেবে বিবেচিত ।  পাশ্চাত্য পুঁজিবাদ ও মার্ক্সবাদী চিন্তার একমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির বিপরীতে তিনি এমন এক সমন্বিত জীবনদর্শনের কথা বলেন, যেখানে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র, তিনটিরই সুষম ও নৈতিক বিকাশ নিশ্চিত হয় । দীনদয়াল উপাধ্যায়ের দার্শনিক চিন্তার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল ‘অখণ্ড মানবতাবাদ’ । এই মতবাদে মানুষকে কেবল অর্থনৈতিক সত্তা বা শ্রেণিসংগ্রামের যন্ত্র হিসেবে দেখা হয় না, মানুষকে শরীর, মন, বুদ্ধি ও আত্মার সমন্বয়ে গঠিত একটি পূর্ণাঙ্গ সত্তা হিসেবে বিবেচনা করা হয় । তাঁর মতে, সমাজব্যবস্থা তখনই সুস্থ ও উন্নত হতে পারে, যখন বস্তুগত উন্নতির সঙ্গ...

মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব কর্তৃক শিখ গুরু তেগ বাহাদুর ও তার তিন শিষ্যকে হত্যার নৃশংস ইতিহাস

Image
মুসলমান শাসকরা যেমন হিন্দুদের উপর অত্যাচার করেছে, তেমনি অত্যাচার করেছে- শিখ, জৈন ও বৌদ্ধদের উপরও। আজ আপনাদের শোনাবো মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব কর্তৃক চারজন জন শিখ গুরুর উপর নৃশংস অত্যাচারের ফলে তাদের মৃত্যু বরণের কাহিনী। এই গুরুদের প্রতি আমার অশেষ শ্রদ্ধার কারণ, হিন্দুদের উপর মুসলমানদের অত্যাচারের প্রতিবাদ করতে গিয়েই এরা রাজ রোষের শিকার হন এবং মৃত্যু বরণ করেন। ঔরঙ্গজেব (বাংলাদেশে বলে আওরঙ্গজেব) তার শাসন কালে কাশ্মিরের হিন্দুদেরকে মুসলমান বানানোর জন্য জঘন্য অত্যাচার শুরু করে। সেই সময় শিখদের সপ্তম গুরু, গুরু তেগ বাহাদুর, এর প্রতিবাদ করেন। এই অপরাধে, ঔরঙ্গেজেব, তেগ বাহাদুর এবং তার তিন জন প্রিয় ও প্রধান শিষ্যকে বন্দী ক'রে, পশুর মতো খাঁচায় ভ'রে, তাদেরকে দিল্লি নিয়ে আসে।  প্রথমে তিন শিষ্যকে ইসলাম গ্রহন করতে বলা হয়। কিন্তু তারা তিনজনই মুসলমান হতে অস্বীকার করে। বাদশাহর হুকুম অমান্য করার অপরাধে তাদের জন্য শাস্তি ঘোষণা করা হয়। শাস্তিটা হলো, তিন জনেরই মৃত্যুদণ্ড; কিন্তু মৃত্যুগুলো হবে আলাদা আলাদা ভাবে এবং যতটা সম্ভব ধীরে ধীরে ও যন্ত্রণা দেওয়ার মাধ্যমে। যাতে একজনের শাস্তি ও যন্ত্রণা ...

ধর্মনিরপেক্ষ চাদারমোদরা

Image
পশ্চিমবঙ্গ থেকে বেথলেহেমের দুরত্ব প্রায় ৬০০০ কিলোমিটার, পশ্চিমবঙ্গ থেকে অযোধ্যার দুরত্ব ৭০০ কিলোমিটার.... দুরত্বের কথা কেন বললাম বুঝতে নিশ্চয় পারছেন না? পশ্চিমবঙ্গের ধর্মনিরপেক্ষ মানুষেরা ভগবান শ্রীরামচন্দ্রকে বহিরাগত বলে 'রামনবমী' পালন করতে দেখলে কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে যীশু খ্রীষ্টের জন্মদিন পালন করলে সেটাকে 'বাঙালির উৎসব' বলে আনন্দ করে কেন?  কতবড় মাঙ্কিখাগির সন্তান হলে এমন দ্বিচারিতা করে বুঝতে পারছেন তো? ওদের চোখে রাম বহিরাগত কিন্তু যীশু ঘরের ছেলে, আসল কথা এই ধর্মনিরপেক্ষদের একটাই উদ্দেশ্য সনাতন হিন্দু ধর্মের বিরোধীতা করা.... এই ধর্মনিরপেক্ষ চাদারমোদরা সনাতন হিন্দু ধর্মের গাছ পুজোকে কুসংস্কার বললেও নিজের ২৫ শে ডিসেম্বর প্ল্যাস্টিকের গাছে টুনি লাগিয়ে টুনটুনি দুলিয়ে দুলিয়ে ছবি তুলে আদিখ্যেতা করবে.... এই ধর্মনিরপেক্ষ চাদারমোদরা শিবরাত্রির দিন দুধ অপচয় করার কথা বললেও হাজার টাকার কেক মুখে মেখে নষ্ট করব তখন চাদারমোদদের মনে হয় না যে এই কেক নষ্ট না করে গরীব শিশুদের দেওয়া উচিত..... এই ধর্মনিরপেক্ষ চাদারমোদরা দীপাবলিতে পরিবেশ দূষণের কথা বললেও খ্রীষ্টমাস...