মুজিবর রহমান ছিল অশিক্ষিত বা কুশিক্ষিত বাঙালি মুসলমান যার মধ্যে জাতীয়তাবোধের লেশমাত্রও ছিল না৷
মুজিবর রহমান ছিল অশিক্ষিত বা কুশিক্ষিত বাঙালি মুসলমান যার মধ্যে জাতীয়তাবোধের লেশমাত্রও ছিল না৷ সে ছিল সীমাহীন লোভী, হিন্দু বিদ্বেষী বেইমান এবং ১৯৪৬ সালের " দাঙ্গায়" বাংলা প্রদেশের " প্রধানমন্ত্রী" এইচ এম সোহরাওয়ার্দী এর শাগরেদ৷ একমাত্র এই লোকটার প্রতি বিশ্বস্ত থেকেছে এই দেশদ্রোহী, ভারতের মানুষের শত্রু মুজিবর৷ একই লোক দুইবার দেশ ভাঙায় সক্রিয় থেকেছে- গঠন মূলক কাজ কোনদিন কিছুই করে নি৷ কংগ্রেস দলের সহায়তায় বাংলায় মুসলিম লিগ দল ক্ষমতায় আসে ১৯৪৩ সালে৷ কারণ ফজলুল হকের সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার গড়তে চায় নি গান্ধীর অনুগতরা৷ এর পর গণহত্যা এবং দেশভাগ যাতে অমুসলিমদের মরতে দিয়েই হয় পাকিস্তান৷ জিন্নাহ মানুষটাকে জাতীয়তাবাদী থেকে সঙ্কীর্ণ সাম্প্রদায়িক করেছিল সেই কংগ্রেস৷ এই দলের মূল চক্রী মোহন গান্ধীকে সময়ে হত্যা করা ছিল জরুরি৷ আধুনিক ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সের কি পার্সন বলা যায় এই নরাধম গান্ধীকে৷ সবচেয়ে অশিক্ষিত, অযোগ্য অপদার্থ,ক্লীব, সমাজবিরোধী লোকগুলাই তখন রাজনীতিতে৷ যে বিদ্যায় এক কোম্পানি বা সংস্থা চালানোর তত্ত্ব আলোচনা করা হয় সেটা দেশ চালানোর জন্য বেশি প্রয়োজন।
মুসলিম লিগ ও লক্ষ লক্ষ মৌলানা ইমামের অবিরাম কুশিক্ষায় ভারতের মুসলমান স্বাধীনতার আন্দোলনে ছিল নিষ্ক্রিয়৷ যারা কিছুই করে নি তাদের জন্যই অনুপাতের চেয়ে চারগুণ বেশি ভূমি দিয়ে পাকিস্তান নিশ্চিত করেছিল বিদেশি শাসক। হিন্দু নিজের দেশ, সমাজ রক্ষা করতে পারে নি এটা তাদের অযোগ্যতা৷
মুসলমান ছিল বিদেশী হানাদার ঔপনিবেশিক। সেই ঔপনিবেশিক শাসনের টিকে থাকার একমাত্র উপায় অবিরাম সংঘর্ষ, বিদ্রোহ, রক্তক্ষয় এর সম্মুখীন হওয়া। ভারতের ক্ষেত্রেও একই ফরমূলা কাজ করেছে৷ সাতশো বছরের মুসলমান শাসনে সমগ্র ভারতের ৩০% এর কম গড়ে ধরলে তাদের কর্তৃত্ব ছিল৷ প্রত্যক্ষ শাসন, সরকার বলে কিছুই ছিল না এই অব্যবস্থিত বিদেশী অধিকৃত অঞ্চলে৷ ভূমি কর দিয়েই দেশীয় স্বাধীন রাজারা সরকার চালিয়েছেন যা কোনদিন দেয় নি দাক্ষিণাত্যের রাজারা, মারাঠারা৷
আর অবিরাম মিথ্যা বলা মুসলমান বলে " মুসলমান ভারত শাসন করেছে!" এদের জানা উচিত ঔরঙ্গজেব সসৈন্যে ঘেরাবন্দী হয়ে ছিল তিন বছর দাক্ষিণাত্য যুদ্ধে গিয়ে৷ মরেছেও আহমেদনগর কেল্লায়, নিদারুণ অর্থাভাবে, হতাশায় ( ১৭০৭ খ্রীষ্টাব্দ). তার পরের দিল্লির বাদশাহরা প্রকৃতপক্ষে ছিল মারাঠা শাসকদের অনুগ্রহে বেঁচে থাকা পুতুল শাসক৷ ফারুখশিয়র কে দিল্লির লাল কেল্লায় বেঁধে এনে গলা টিপে মেরেছিল বিদ্রোহীরা। " সম্রাট" দ্বিতীয় শাহ আলম কে বন্দীদশা থেকে বাঁচিয়েছে শত্রু বিদ্রোহী মারাঠা সর্দার৷ তার নিজের দেহরক্ষী বাহিনীও ছিল না৷ বঙ্গাল মুল্ক ছাড়া অন্য কেউ কর দিত না,সেনাবাহিনী থাকবে কি করে৷ মুসলমান অধিকার বুঝতে গেলে ভাড়াটে সেনা বা mercenaries বুঝতে হবে আর এসব শিক্ষা ছিল না মুসলমানের৷ তাদের স্বঘোষিত প্রতিভূ ধরা যায় এক ইতর স্বভাব মুজিবর রহমানকে৷ মুসলমানের মধ্যে দেশভক্তি আসবে কি করে? রাষ্ট্রীয়গান বর্জন করে এই বিদেশী আবর্জনারাই৷
COLLECTED
Comments