#জওহরলাল_নেহেরুর কৌশলগত উদাসীনতার ফলে 97% বৌদ্ধ ও হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ চট্টগ্রাম কিভাবে পূর্ব পাকিস্তানের ভাগে চলে যায়, তাই নিয়েই কিছু তথ্য দেবো।
1947 সালে দেশভাগের সময় চট্টগ্রাম (মূলত চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চল) পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পেছনে প্রধানত সিরিল র্যাডক্লিফ এবং জওহরলাল নেহেরুর কৌশলগত উদাসীনতাকে দায়ি করা হয়। সিরিল র্যাডক্লিফের নিজস্ব নথিতে উল্লেখ ছিলো যে, কলকাতা বন্দর ভারত পেয়ে যাওয়ায় পূর্ব পাকিস্তানের জন্য চট্টগ্রাম বন্দর অপরিহার্য। তাই চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলকে ওই বন্দর শহরের 'হিন্টারল্যান্ড' বা সংযোগকারী এলাকা হিসেবে পাকিস্তানের অধীনে দিয়ে দেওয়া উচিত। পার্বত্য চট্টগ্রামের তৎকালীন জনসমিতি নেতা স্নেহা কুমার চাকমা এবং কামিনী মোহন দেওয়ান তাঁদের বিভিন্ন স্মৃতিকথা ও সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেছেন যে, তারা দিল্লিতে প্রায় 50 দিন অপেক্ষা করেও নেহেরুর কাছ থেকে কার্যকর কোনো প্রতিশ্রুতি পাননি। নেহেরু তখন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের দোহাই দিয়ে এবং র্যাডক্লিফের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার বাধ্যবাধকতা দেখিয়ে তাঁদের ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। এর পর চাকমা প্রতিনিধিরা ভারতের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের সাথে দেখা করলে তিনি সহানুভূতি দেখালেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেহেরুর হাতে থাকায় অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন। 19...