অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার ( অন্নপূর্ণা যোজনা)অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি:
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার ( অন্নপূর্ণা যোজনা) অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি: সরাসরি ভাতা দিলে তা সাময়িক উপকারে আসে এবং তা মূলত দৈনন্দিন খরচে শেষ হয়ে যায়। কিন্তু সেই টাকা সম্পদ সৃষ্টিতে (Asset Creation) এবং উৎপাদনে ব্যবহার করলে তা স্থায়ী কর্মসংস্থান তৈরি করে, যা রাজ্যের জিডিপি (GDP) বাড়াতে এবং নারীদের প্রকৃত ক্ষমতায়নে সাহায্য করে। খরচের হিসেব প্রথম কিস্তি (জুন ২০২৬): জুন মাসের ৩ তারিখে যখন প্রথম এই প্রকল্পের টাকা দেওয়া হয়, তখন যাচাইকরণের পর ২৮ লক্ষ ২৫ হাজারেরও বেশি মহিলা প্রথম দফার টাকা পেয়েছে দ্বিতীয় কিস্তি (১ জুলাই ২০২৬): জুলাই মাসের ১ তারিখে উপভোক্তা ১ কোটি ৩০ লক্ষ সংখ্যায় প্রকাশ: ১৩,০০০,০০০ × ৩,০০০ কোটি হিসেবে: ৩,৯০০ কোটি টাকা (প্রতি মাসে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই পরিমাণ টাকা উপভোক্তাদের দিতে খরচ হয়েছে )। ভবিষ্যতের লক্ষ্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে স্ক্রুটিনি এবং নতুন আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে রাজ্যের প্রায় ২ কোটি যোগ্য মহিলা এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন। সংখ্যায় প্রকাশ: ২০,০০০,০০০ × ৩,০০০ কোটি হিসেবে: ৬,০০০ কোটি টাকা (সব যোগ্য উপভোক্তা যুক্ত হলে প্রতি মা...