Posts

Featured Post

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার ( অন্নপূর্ণা যোজনা)অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি:

Image
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার ( অন্নপূর্ণা যোজনা) অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি: সরাসরি ভাতা দিলে তা সাময়িক উপকারে আসে এবং তা মূলত দৈনন্দিন খরচে শেষ হয়ে যায়।  কিন্তু সেই টাকা সম্পদ সৃষ্টিতে (Asset Creation) এবং উৎপাদনে ব্যবহার করলে তা স্থায়ী কর্মসংস্থান তৈরি করে,  যা রাজ্যের জিডিপি (GDP) বাড়াতে এবং নারীদের প্রকৃত ক্ষমতায়নে সাহায্য করে। খরচের হিসেব প্রথম কিস্তি (জুন ২০২৬): জুন মাসের ৩ তারিখে যখন প্রথম এই প্রকল্পের টাকা দেওয়া হয়, তখন যাচাইকরণের পর ২৮ লক্ষ ২৫ হাজারেরও বেশি মহিলা প্রথম দফার টাকা পেয়েছে  দ্বিতীয় কিস্তি (১ জুলাই ২০২৬): জুলাই মাসের ১ তারিখে উপভোক্তা ১ কোটি ৩০ লক্ষ  সংখ্যায় প্রকাশ: ১৩,০০০,০০০ × ৩,০০০ কোটি হিসেবে: ৩,৯০০ কোটি টাকা (প্রতি মাসে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই পরিমাণ টাকা উপভোক্তাদের দিতে খরচ হয়েছে )। ভবিষ্যতের লক্ষ্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে স্ক্রুটিনি এবং নতুন আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে রাজ্যের প্রায় ২ কোটি যোগ্য মহিলা এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন। সংখ্যায় প্রকাশ: ২০,০০০,০০০ × ৩,০০০ কোটি হিসেবে: ৬,০০০ কোটি টাকা (সব যোগ্য উপভোক্তা যুক্ত হলে প্রতি মা...

সালটা 1971 ভারতীয় সেনাবাহিনী সিন্ধুর থারপারকার জেলাকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করে গুজরাটের একটি নতুন জেলা হিসেবে ঘোষণা করেছিল এবং মুজাফফারাবাদ সংসদের উপর ত্রিবর্ণ পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল

Image
আমরা প্রায়শই ১৯৭১ সালের যুদ্ধের জন্য ইন্দিরা গান্ধীর প্রশংসা করি, কিন্তু পাকিস্তানের সংসদে বেনজির ভুট্টোর স্বামী আসিফ আলী জারদারির দেওয়া এই বিবৃতিটি আমাদের অবশ্যই পড়া উচিত। যখন ৯০,০০০-এরও বেশি পাকিস্তানি সৈন্য ভারতীয়দের হাতে বন্দী ছিল এবং তাদের ৩,০০০-এরও বেশি সামরিক কর্মকর্তা আমাদের হেফাজতে ছিলেন... তখন পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল। .....ভারতীয় সেনাবাহিনী সিন্ধুর থারপারকার জেলাকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করে গুজরাটের একটি নতুন জেলা হিসেবে ঘোষণা করেছিল এবং মুজাফফারাবাদ সংসদের উপর ত্রিবর্ণ পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। .....জুলফিকার আলী ভুট্টো যখন ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষর করতে এসেছিলেন। তখন তিনি তাঁর কন্যা বেনজির ভুট্টোকে সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন।জুলফিকার আলী ভুট্টো তাঁর কন্যাকে রাজনীতি শেখাচ্ছিলেন। .....ইন্দিরা গান্ধী জুলফিকার আলী ভুট্টোর সামনে একটি শর্ত রাখলেন...  "যদি আপনি আপনার ৯৩,০০০ সৈন্য ফেরত চান, তবে আপনাকে কাশ্মীর হস্তান্তর করতে হবে।" জুলফিকার আলী ভুট্টো ইন্দিরা গান্ধীকে বললেন... "আমরা আপনাকে কাশ্মীর দেব না, আমি কোন কিছুতে স্বাক্ষ...

কলকাতার আদী গংগার যদি সংস্কার হয় তবে পশ্চিমবঙ্গে সরকারের প্রতিমাসে মিনিমাম হাজার কোটি টাকা আয় হবে কিভাবে হবে

Image
কলকাতার আদী গংঙ্গা যদি সংস্কার হয়  তবে  পশ্চিমবঙ্গে সরকারের প্রতিমাসে মিনিমাম হাজার কোটি টাকা আয় হবে  কিভাবে হবে চলুন দেখাযাক 1:- কলকাতা এরিয়া আদী গংগার শুরু থেকে শেষ অবধি  নদীর দুই পাড়ে যতোটা জমি নদীর আওতায় পরে সেই জমি রেলিং দিয়ে ঘিরে নদীর একদম পাশাপাশি ফুটপাত তৈরী করা  এবং ফুটপাত আর রেলিংয়ের মধ্যে যে জমি থাকবে তাতে বিভিন্ন ধরনের ছোট গাছ লাগিয়ে   লাইটিং দিয়ে সাজিয়ে পার্ক তৈরী করা ( প্রবেশ ফ্রী থাকবে ) কোনপ্রকার যানবাহন ঢোকা নিষিদ্ধ করতে হবে 2 :- 1 অথবা 2 কিলোমিটার অন্তর অন্তর গাড়ি পার্কিংয়ের (পার্কিং ফি দিয়ে) ব‍্যাবস্থা রাখতে হবে 3:- প্রত‍্যেক পার্কিংয়ে সরকারি ভাবে  কিছু পার্মানেন্ট ফাস্টফুডের স্টল তৈরী করে ভাড়ায় দিতে হবে 4:- আদী গংঙ্গার শুরু থেকে শেষ অবধি  প‍্যাসেঞ্জার বোট চালাতে হবে ( তাহলে কলকাতার বাসের ভির কুমবে এবং রাস্তায় যনজট কুমবে ) 5:- পর্যটকদের জন্য ছোট ছোট বোট চালাতে হবে শুধুমাত্র কলকাতা এরিয়ার মধ্য  আদী গংঙ্গার এবং কলকাতার উন্নতি নিয়ে চিন্তাভাবনা করলে আরো বহু কিছু করা সম্ভব  #everyoneシ゚ #reels #FacebookPage ...

গান্ধীজি অহিংস ছিলেন না। অহিংস ছিল তাঁর মুখোশ।

Image
নেতাজি সুভাষকে তিনি কংগ্রেস থেকে সরিয়েছিলেন হিংসার অনলে জ্বলে। প্রমাণ ১৯৩৯ সালে ত্রিপুরি কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন। সুভাষ নির্বাচনে দাঁড়ালেন গান্ধীজির অমতে। কী এত বড় স্পর্ধা সুভাষের! গান্ধীজি অবাক। তাই তিনি তাঁর মনোনীত প্রার্থী পট্টভি সীতারামাইয়াকে সুভাষের বিরুদ্ধে দাঁড় করালেন। জয়ী হলেন সুভাষ। ফল হল মারাত্মক।               গান্ধী ও নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু নির্বাচনে নেতাজীর জয় লাভের পর গান্ধীজির উক্তি: ‘The defeat of Pattabhi Sitaramyya is my defeat’ অর্থাৎ পট্টভি সীতারামাইয়ার পরাজয় মানে আমার পরাজয়।’ এ কী সাংঘাতিক কথা! জনগণের ভোটে নির্বাচিত সভাপতি সুভাষচন্দ্র বসুর জয়ে হঠাৎ মহাত্মার মত মানুষের এই ধরনের উক্তির কারণ কী? কারণ হিসেবে বলা হল গান্ধীজির নীতির কথা। গান্ধীজি অহিংসার পুজারী, অহিংস নীতিতে বিশ্বাসী। সুভাষ ঠিক এর বিপরীত। তাই সুভাষের জয় মানেই গান্ধীজির অহিংস নীতির পরাজয়। কিন্তু সত্যিই কি তাই? আদৌ তা নয়।  অক্ষমতার জন্য অহিংসার বুলি। আসলে সুচতুর গান্ধীজিকে বিচলিত করেছিল সুভাষের জয়। তিনি চরম হিংসা করতেন নেতাজীর জনপ্রিয়তাকে...

ইতিহাসের দর্পণে ১৯৬৬-র গো-রক্ষা আন্দোলন: করপাত্রী মহারাজ ও ইন্দিরা গান্ধীর সেই ‘অভিশপ্ত’ অধ্যায়

Image
ভারতের রাজনৈতিক ও আধ্যাত্মিক ইতিহাসে ১৯৬৬ সালের ৭ই নভেম্বর একটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং বিতর্কিত দিন হিসেবে চিহ্নিত। এই দিনটি ছিল ‘গোপষ্টমী’। দিল্লির সংসদ ভবনের সামনে কয়েক লক্ষ সাধু-সন্ত ও গো-ভক্তদের ওপর পুলিশের গুলিচালনা এবং এর সাথে জড়িয়ে থাকা স্বামী করপাত্রী মহারাজের ‘অভিশাপ’ আজও জনশ্রুতি ও ঐতিহাসিক আলোচনায় প্রাসঙ্গিক। প্রতিশ্রুতি ও বিশ্বাসের প্রেক্ষাপট জনশ্রুতি এবং আধ্যাত্মিক গ্রন্থসমূহের বর্ণনা অনুযায়ী, লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর আকস্মিক প্রয়াণের পর যখন দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন নিয়ে জটিলতা চলছিল, তখন ইন্দিরা গান্ধী আশীর্বাদের জন্য প্রখ্যাত আধ্যাত্মিক সাধক স্বামী করপাত্রী মহারাজের শরণাপন্ন হন। করপাত্রী মহারাজ ছিলেন তৎকালীন হিন্দু সমাজের এক প্রভাবশালী কণ্ঠস্বর। তিনি ইন্দিরা গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আশীর্বাদ দিলেও একটি শর্ত দিয়েছিলেন— প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তাকে দেশজুড়ে ‘গো-বংশ’ হত্যা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করতে হবে। বলা হয়, ক্ষমতায় আসার মোহে ইন্দিরা গান্ধী সেই সময় এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ৭ নভেম্বর ১৯৬৬: সংসদ ভবনের সামনে সেই রক্তক্ষয়ী দিন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বেশ কিছু ...

#জওহরলাল_নেহেরুর কৌশলগত উদাসীনতার ফলে 97% বৌদ্ধ ও হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ চট্টগ্রাম কিভাবে পূর্ব পাকিস্তানের ভাগে চলে যায়, তাই নিয়েই কিছু তথ্য দেবো।

Image
1947 সালে দেশভাগের সময় চট্টগ্রাম (মূলত চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চল) পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পেছনে প্রধানত সিরিল র‍্যাডক্লিফ এবং জওহরলাল নেহেরুর কৌশলগত উদাসীনতাকে দায়ি করা হয়। সিরিল র‍্যাডক্লিফের নিজস্ব নথিতে উল্লেখ ছিলো যে, কলকাতা বন্দর ভারত পেয়ে যাওয়ায় পূর্ব পাকিস্তানের জন্য চট্টগ্রাম বন্দর অপরিহার্য। তাই চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলকে ওই বন্দর শহরের 'হিন্টারল্যান্ড' বা সংযোগকারী এলাকা হিসেবে পাকিস্তানের অধীনে দিয়ে দেওয়া উচিত।   পার্বত্য চট্টগ্রামের তৎকালীন জনসমিতি নেতা স্নেহা কুমার চাকমা এবং কামিনী মোহন দেওয়ান তাঁদের বিভিন্ন স্মৃতিকথা ও সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেছেন যে, তারা দিল্লিতে প্রায় 50 দিন অপেক্ষা করেও নেহেরুর কাছ থেকে কার্যকর কোনো প্রতিশ্রুতি পাননি। নেহেরু তখন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের দোহাই দিয়ে এবং র‍্যাডক্লিফের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার বাধ্যবাধকতা দেখিয়ে তাঁদের ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। এর পর চাকমা প্রতিনিধিরা ভারতের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের সাথে দেখা করলে তিনি সহানুভূতি দেখালেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেহেরুর হাতে থাকায় অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন। 19...

জাভেদ খানানি: এক অদৃশ্য যুদ্ধ এবং ভারতের নোটবন্দির নেপথ্য কাহিনী

Image
জাভেদ খানানি এবং ২০১৬ সালের নোটবন্দি বা ডিমোনিটাইজেশন নিয়ে একটি তথ্যবহুল ও রোমাঞ্চকর নিবন্ধ নিচে দেওয়া হলো :- জাভেদ খানানি: এক অদৃশ্য যুদ্ধ এবং ভারতের নোটবন্দির নেপথ্য কাহিনী আপনি কি মনে করেন সিনেমার পর্দায় দেখা ভয়ংকর সব ভিলেনরাই সবচেয়ে শক্তিশালী? যদি তাই ভেবে থাকেন, তবে আপনি হয়তো জাভেদ খানানি নামক এই রক্তমাংসের মানুষটি সম্পর্কে জানেন না। অপরাধ জগতের বড় বড় ডন বা ষড়যন্ত্রকারীরা একদিকে, আর এই জাভেদ খানানি ছিল অন্যদিকে। সে ছিল এমন এক ব্যক্তি, যে চাইলে একাই পুরো ভারতের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিতে পারত। এশিয়ার সবচেয়ে বড় হাওয়ালা নেটওয়ার্ক ২০১৬ সালের আগে পর্যন্ত জাভেদ খানানি এশিয়ার সবচেয়ে বড় হাওয়ালা নেটওয়ার্ক পরিচালনা করত। তার এই জাল এতটাই বিস্তৃত ছিল যে, কোনো শারীরিক নগদ অর্থ লেনদেন ছাড়াই সে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে কয়েক হাজার কোটি টাকা পাচার করে দিতে পারত। কিন্তু তার আসল চাল ছিল অন্য জায়গায়। পাকিস্তানের মাটিতে বসে সে উন্নত মানের জাল ভারতীয় মুদ্রা (Fake Indian Currency) ছাপাত এবং তার নিজস্ব হাওয়ালা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তা ভারতের বাজারে ছড়িয়ে দিত। ভারতের অর্থনীতিতে ক্যান...