Posts

জবাব তোমায় দিতেই হবে—

Image
⁉️কারা শহীদ ভগৎ সিং এর ফাঁসির সমর্থন করেছে? ⁉️কারা সর্দার উধম সিং এর ফাঁসির সমর্থন করে? ⁉️কারা দেশবন্ধুকে দল ছাড়তে বাধ্য করে? ⁉️কারা নেতাজিকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে? ⁉️ কারা নেতাজি ফিরলে তলোয়ার দিয়ে তাঁকে হত্যা করবে বলেছিল?  ⁉️কারা নীলগঞ্জের 3000 INA সেনার হত্যার পিছনে ব্রিটিশদের মদত দিয়েছিল? ⁉️কারা পঞ্চম জর্জের স্ট্যাচু ইন্ডিয়া গেটে রেখে পুজো করতো? ⁉️কারা ভারতমাতার বদলে লেডি মাউন্টব্যাটেন পূজা করতো? ⁉️কারা রমেশ মজুমদার, যদুনাথ সরকারের ইতিহাস মুছে দিয়েছে? ⁉️কারা যোজনা কমিশনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে নেতাজির নাম মুছে দিয়েছে? ⁉️কার স্বার্থে মুখার্জী কমিশনের রিপোর্ট আস্তাকুড়ে ফেলে দেয়া হয়? ⁉️কারা 42 এর দুর্ভিক্ষে নেতাজির পাঠানো খাবার ফিরিয়ে ব্রিটিশদের সাহায্য করেছিল গণহত্যায়? ⁉️1947 এ পাঞ্জাবী রিফিউজিদের শীতের রাতে মসজিদ থেকে বের করে মৃত্যু মুখে ঠেলে দেয় কারা? ⁉️ব্রিটিশরা কোন নেতাদের গ্রেপ্তার করে জেলের বদলে রাজপ্রাসাদে গৃহবন্দী রাখতেন? ⁉️কারা আজাদ হিন্দ সরকারকে ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে দিয়েছিল? ⁉️কারা নৌবিদ্রোহ ইতিহাস থেকে মুছে দেয়? ⁉️তাহলে ব্রিটিশের দালাল কে? ...

গান্ধী কেন মুসলিম সম্প্রদায়ের সমর্থক ছিলেন?

Image
গান্ধী কেন মুসলিম সম্প্রদায়ের সমর্থক ছিলেন? (অধ্যাপক কে. এস. নারায়ণাচাৰ্য তাঁর বইতে কিছু সংকেত দিয়েছেন...) এটি সর্বজনবিদিত যে নেহেরু এবং ইন্দিরা মুসলিম সম্প্রদায়ের সাথে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু খুব কম মানুষই গান্ধীজির জাতিগত শিকড় সম্পর্কে জানেন। আসুন দেখা যাক অধ্যাপক কী কী কারণ তুলে ধরেছেন: ১. মোহনদাস গান্ধী ছিলেন করমচাঁদ গান্ধীর চতুর্থ স্ত্রী পুতলিবাঈয়ের পুত্র। পুতলিবাঈ মূলত 'প্রণামী' সম্প্রদায়ের ছিলেন। দাবি করা হয় যে, এই প্রণামী সম্প্রদায় হিন্দু বেশে একটি ইসলামিক আদর্শ দ্বারা প্রভাবিত সংগঠন। ২. মিস্টার ঘোষের বই "দ্য কোরান অ্যান্ড দ্য কাফির"-এ গান্ধীর বংশপরিচয় নিয়ে বিতর্কিত উল্লেখ রয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে যে, করমচাঁদ এক মুসলিম জমিদারের অধীনে কাজ করতেন এবং অর্থ চুরির দায়ে আত্মগোপন করেন। সেই সময় ওই জমিদার পুতলিবাঈকে নিজ আশ্রয়ে রাখেন। মোহনদাসের জন্মের সময় করমচাঁদ তিন বছর নিখোঁজ ছিলেন। ৩. গান্ধীজির জন্ম ও বেড়ে ওঠা গুজরাটি মুসলিমদের পরিবেশেই হয়েছিল। ৪. লন্ডনে আইন পড়ার (লন্ডন ল কলেজ) সমস্ত খরচ তাঁর তথাকথিত মুসলিম পৃষ্ঠপোষকই বহন করেছিলেন। ৫. দক্ষিণ আফ্রিকায় গা...

দীনদয়াল উপাধ্যায় ও অখণ্ড মানবতাবাদ''

Image
আধুনিক ভারতের রাজনৈতিক ও দার্শনিক চিন্তাজগতে দীনদয়াল উপাধ্যায় (১৯১৬–১৯৬৮) একটি বিশেষ ও স্বতন্ত্র নাম । তিনি ছিলেন একাধারে একজন আদর্শনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ, গভীর দার্শনিক চিন্তাবিদ এবং দক্ষ সংগঠক, যাঁর চিন্তাধারা পরবর্তীকালে ভারতীয় রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ আদর্শ ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় । ভারতীয় জন সংঘের অন্যতম প্রধান নেতা হিসেবে তাঁর ভূমিকা যেমন উল্লেখযোগ্য, তেমনই তাঁর প্রবর্তিত ‘অখণ্ড মানবতাবাদ’ ভারতীয় রাজনৈতিক দর্শনে এক মৌলিক সংযোজন হিসেবে বিবেচিত ।  পাশ্চাত্য পুঁজিবাদ ও মার্ক্সবাদী চিন্তার একমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির বিপরীতে তিনি এমন এক সমন্বিত জীবনদর্শনের কথা বলেন, যেখানে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র, তিনটিরই সুষম ও নৈতিক বিকাশ নিশ্চিত হয় । দীনদয়াল উপাধ্যায়ের দার্শনিক চিন্তার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল ‘অখণ্ড মানবতাবাদ’ । এই মতবাদে মানুষকে কেবল অর্থনৈতিক সত্তা বা শ্রেণিসংগ্রামের যন্ত্র হিসেবে দেখা হয় না, মানুষকে শরীর, মন, বুদ্ধি ও আত্মার সমন্বয়ে গঠিত একটি পূর্ণাঙ্গ সত্তা হিসেবে বিবেচনা করা হয় । তাঁর মতে, সমাজব্যবস্থা তখনই সুস্থ ও উন্নত হতে পারে, যখন বস্তুগত উন্নতির সঙ্গ...

মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব কর্তৃক শিখ গুরু তেগ বাহাদুর ও তার তিন শিষ্যকে হত্যার নৃশংস ইতিহাস

Image
মুসলমান শাসকরা যেমন হিন্দুদের উপর অত্যাচার করেছে, তেমনি অত্যাচার করেছে- শিখ, জৈন ও বৌদ্ধদের উপরও। আজ আপনাদের শোনাবো মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব কর্তৃক চারজন জন শিখ গুরুর উপর নৃশংস অত্যাচারের ফলে তাদের মৃত্যু বরণের কাহিনী। এই গুরুদের প্রতি আমার অশেষ শ্রদ্ধার কারণ, হিন্দুদের উপর মুসলমানদের অত্যাচারের প্রতিবাদ করতে গিয়েই এরা রাজ রোষের শিকার হন এবং মৃত্যু বরণ করেন। ঔরঙ্গজেব (বাংলাদেশে বলে আওরঙ্গজেব) তার শাসন কালে কাশ্মিরের হিন্দুদেরকে মুসলমান বানানোর জন্য জঘন্য অত্যাচার শুরু করে। সেই সময় শিখদের সপ্তম গুরু, গুরু তেগ বাহাদুর, এর প্রতিবাদ করেন। এই অপরাধে, ঔরঙ্গেজেব, তেগ বাহাদুর এবং তার তিন জন প্রিয় ও প্রধান শিষ্যকে বন্দী ক'রে, পশুর মতো খাঁচায় ভ'রে, তাদেরকে দিল্লি নিয়ে আসে।  প্রথমে তিন শিষ্যকে ইসলাম গ্রহন করতে বলা হয়। কিন্তু তারা তিনজনই মুসলমান হতে অস্বীকার করে। বাদশাহর হুকুম অমান্য করার অপরাধে তাদের জন্য শাস্তি ঘোষণা করা হয়। শাস্তিটা হলো, তিন জনেরই মৃত্যুদণ্ড; কিন্তু মৃত্যুগুলো হবে আলাদা আলাদা ভাবে এবং যতটা সম্ভব ধীরে ধীরে ও যন্ত্রণা দেওয়ার মাধ্যমে। যাতে একজনের শাস্তি ও যন্ত্রণা ...

ধর্মনিরপেক্ষ চাদারমোদরা

Image
পশ্চিমবঙ্গ থেকে বেথলেহেমের দুরত্ব প্রায় ৬০০০ কিলোমিটার, পশ্চিমবঙ্গ থেকে অযোধ্যার দুরত্ব ৭০০ কিলোমিটার.... দুরত্বের কথা কেন বললাম বুঝতে নিশ্চয় পারছেন না? পশ্চিমবঙ্গের ধর্মনিরপেক্ষ মানুষেরা ভগবান শ্রীরামচন্দ্রকে বহিরাগত বলে 'রামনবমী' পালন করতে দেখলে কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে যীশু খ্রীষ্টের জন্মদিন পালন করলে সেটাকে 'বাঙালির উৎসব' বলে আনন্দ করে কেন?  কতবড় মাঙ্কিখাগির সন্তান হলে এমন দ্বিচারিতা করে বুঝতে পারছেন তো? ওদের চোখে রাম বহিরাগত কিন্তু যীশু ঘরের ছেলে, আসল কথা এই ধর্মনিরপেক্ষদের একটাই উদ্দেশ্য সনাতন হিন্দু ধর্মের বিরোধীতা করা.... এই ধর্মনিরপেক্ষ চাদারমোদরা সনাতন হিন্দু ধর্মের গাছ পুজোকে কুসংস্কার বললেও নিজের ২৫ শে ডিসেম্বর প্ল্যাস্টিকের গাছে টুনি লাগিয়ে টুনটুনি দুলিয়ে দুলিয়ে ছবি তুলে আদিখ্যেতা করবে.... এই ধর্মনিরপেক্ষ চাদারমোদরা শিবরাত্রির দিন দুধ অপচয় করার কথা বললেও হাজার টাকার কেক মুখে মেখে নষ্ট করব তখন চাদারমোদদের মনে হয় না যে এই কেক নষ্ট না করে গরীব শিশুদের দেওয়া উচিত..... এই ধর্মনিরপেক্ষ চাদারমোদরা দীপাবলিতে পরিবেশ দূষণের কথা বললেও খ্রীষ্টমাস...

বড়দিনকে হিন্দুয়ানায় বেঁধেছিলেন স্বামীজি, তুলসী-পূজনেও সে বাঁধন অটুট।

Image
অভিসার যাত্রা। ১৮৯২ সালের ২৫ শে ডিসেম্বর; আকাশের এক তারা এসেছেন মত্যসাগরের ত্রিকোণ প্রেমের জলধারায় নীলকর দিয়ে। সুনীল জলধি থেকে সন্তানসম ভারতবর্ষের আবির্ভাব; মহাকালের সেই মহান অধ্যায় দেখতে এসেছেন সপ্তর্ষিমণ্ডলের এক আশ্চর্য নক্ষত্র; তার অতীত আর ভবিষ্যৎ মেলাবেন সমাধিতে বসে। পাশেই সমুদ্র-তনয়া কন্যাকুমারী। বড়দিন-ই বটে, তার প্রাক্কালে পায়ে হেঁটে কন্যাকুমারী পৌঁছেছেন স্বামী বিবেকানন্দ, তারপর মূল ভূখণ্ড থেকে সাগর-সঙ্গমে ৫০০ মিটার সাঁতরে ভারতীয় পাহাড়ের শেষ বিন্দুতে পৌঁছলেন তিনি; দেখলেন অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন, তারপর অতুল্য কিন্তু অভুক্ত ভারতের জন্য গ্রহণ করলেন এক অধ্যাত্মিক সংকল্প। ধ্যানের শঙ্খনাদে একাদিক্রমে তিনদিন কাটলো — ২৫,২৬,২৭ শে ডিসেম্বর। যে খ্রীস্টান ধর্ম মানুষকে ‘পাপী’ বলে, সেই ধর্মের প্রতিবাদ কেবল স্বামীজিই করেন নি, করেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণও। মানুষ দেবতা, মানুষ ব্রহ্ম; সে পাপী হবে কীভাবে? সে অমৃতের সন্তান, সে পবিত্র, সে পূর্ণ; পূর্ণতা প্রাপ্তির সব যোগই তার মধ্যে আছে। শুধু তাই নয়, ব্রাহ্মসমাজের শশিপদ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হিন্দু বিধবা আশ্রমের জন্য তিনি বিদেশে বক্তৃতা দিয়ে টাকা তুলে পাঠ...

১৯৭১–এর গল্প এখানেই শেষ নয়।

Image
১৯৭১ কোনো আবেগঘন গল্প নয়, কোনো রাজনৈতিক স্লোগানও নয়—এটি দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্রীয় ইতিহাসের একটি নথিভুক্ত বাস্তবতা। সেই বাস্তবতায় ভারত ছিল কেবল একজন প্রতিবেশী রাষ্ট্র নয়, ভারত ছিল আশ্রয়দাতা, অর্থদাতা, কূটনৈতিক ঢাল এবং শেষ পর্যন্ত সামরিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা। এই ভূমিকা কোনো একক সরকারের সদিচ্ছা ছিল না—এটি ছিল ভারতের রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত ত্যাগের ফল। যখন পূর্ব পাকিস্তানে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, গণহত্যা ও নির্যাতন চলছিল, তখন ভারত সীমান্ত বন্ধ করেনি, ধর্মের হিসাব কষেনি, আন্তর্জাতিক চাপের কাছে মাথা নোয়ায়নি। বরং সীমান্ত খুলে দিয়েছিল, কোটি কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছিল, এবং সেই বোঝা বহন করেছিল বছরের পর বছর। সেই ব্যয়ের ভার বহন করেছে ভারতের জনগণ—বাসের টিকিটে, সিনেমার টিকিটে, ডাকটিকিটে “Refugee Relief” সারচার্জ দিয়ে। এগুলো কোনো গোপন ইতিহাস নয়, এগুলো সরকারি দলিল, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত তথ্য। কিন্তু ১৯৭১–এর গল্প এখানেই শেষ নয়। ১৯৭১ বাংলাদেশের জন্মের বছর—এ কথা সবাই জানে। কিন্তু খুব কম মানুষই মনে রাখতে চায়, জন্মের পর একটি রাষ্ট্রকে দাঁড় করিয়ে রাখতে কী লাগে। যুদ্ধ জেতা এ...