পৃথিবীতে ৭ টি মহাদেশ আছে।এর মধ্যে একমাত্র এশিয়ায় পৃথিবীর ৬২-৬৯ শতাংশ মুসলমান বাস করে।এন্টার্কটিকা বাদ দিল বাকি ৫ টি মহাদেশে ৮ শতাংশ করেও মুসলিম বসবাস করে না।

পৃথিবীতে ৭ টি মহাদেশ আছে।এর মধ্যে একমাত্র এশিয়ায় পৃথিবীর ৬২-৬৯ শতাংশ মুসলমান বাস করে।এন্টার্কটিকা বাদ দিল বাকি ৫ টি মহাদেশে ৮ শতাংশ করেও মুসলিম বসবাস করে না।

 এশিয়া মহাদেশে ৪৯ টি সার্বভৌম দেশ রয়েছে। এশিয়ায় সর্বোচ্চ ১৯ টি মুসলিম দেশ আছে।বাকি ৩০ টি দেশের মানুষ ইসলাম ধর্মের অনুসারী নয়।এখন মধ্যযুগ নয় , চাইলেও পুরো বিশ্বে ইসলামিক শাসন সম্ভব নয়। রাশিয়া, ভারত , চীন এসব দেশ দখল করে ইসলামী শাসন চালু করবেন এসব স্বপ্নেও সম্ভব নয়। আধুনিক বিশ্বে উটের পিঠে পাখনা লাগিয়ে মহাবিশ্ব ভ্রমণের গল্প প্রচার করে মানুষকে ধোঁকা দেওয়া সম্ভব নয়। মুসলমানদের পৃথিবীতে পরাজয়ের সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে এদের উগ্রতা , জঙ্গীবাদ ও জ্ঞান বিজ্ঞানে পিছিয়ে পড়া।এরা এখনও বোকার মতো ঢিলা কুলুপ বানিয়ে মহাকাশ জয়ের স্বপ্ন দেখছে। পৃথিবীর ৫৭ টা মুসলিম দেশ খুঁজেও একটা ভালো গণতান্ত্রিক ইসলামিক রাষ্ট্র আপনি দেখাতে পারবেন না।তুরস্ক মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দু' একটি দেশ ছাড়া প্রায়ই মুসলিম দেশেই চলছে গৃহযুদ্ধ , দূর্ভিক্ষ ও রাজা- বাদশার শাসন। জ্ঞান ও বিজ্ঞানের চর্চা থেকে এরা হাজার হাজার মাইল দূরে। আমেরিকা, চীন ও রাশিয়ার গোলামী ছাড়া এদের আর কোন অস্তিত্ব নেই।

পৃথিবীর মোট মুসলমানের ৩০-৩৫ শতাংশ মুসলমান দক্ষিণ এশিয়ায় বাস করে। দক্ষিণ এশিয়ায় ৮ টি দেশ আছে। এখানে রাজত্ব করে ভারত। এখানে মুসলিম দেশের সংখ্যা ৪ টি। বাংলাদেশ , পাকিস্তান, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান।ভারত দখলের স্বপ্ন এখানে স্বপ্নদোষ ছাড়া আর কিছুই নয়। বাংলাদেশ ও পাকিস্তান ছাড়া অপর দুটি মুসলিম দেশ মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান ভারতের উপর অনেকটাই নির্ভরশীল।সিন্ধু সভ্যতা থেকেই ভারত ও আফগানিস্তানের মানুষের মাঝে ঐতিহ্যগত ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক।১৯৫০ সালে ভারতের জওহরলাল নেহরু ও আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নজিবুল্লাহ এর মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি ভারত ও আফগানিস্তান সম্পর্কের মূল ভিত্তি। আফগানিস্তান কখনোই পাকিস্তানের জন্য ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে না। পাকিস্তানের মত আফগানিস্তানের পেটে কৃমি হয়নি বলে আফগানিস্তান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে ভারতের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখেছে।

মালদ্বীপের নিরাপত্তা হচ্ছে ভারত মহাসাগর , যার পুরোটাই ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার দেখে। মালদ্বীপ ভারতের বৃহত্তম রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অংশীদার। মালদ্বীপ নামক পর্যটন নির্ভর দেশটি তাদের পর্যটনের জন্য প্রায় পুরোপুরি ভারতের উপর নির্ভরশীল। মালদ্বীপের বহু শিক্ষার্থী ভারতে উচ্চশিক্ষা লাভ করে। মালদ্বীপের পেটে পাকিস্তানের মতো পিতা কৃমি ( Tapeworm) হয়নি যে , মালদ্বীপ ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের হয়ে যুদ্ধ করবে। তাছাড়া নেপাল, ভুটান ও শ্রীলঙ্কা এসব হচ্ছে ভারতের প্রতিবেশী দেশ। এদের কাউকেই পাগলা কুত্তায় কামড় দেয়নি যে এরা ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে নিজেদের অস্তিত্ব ধ্বংস করবে।

হাজার হাজার বছর ধরে দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সবকটি দেশের একটাই পরিচয় ছিল ভারত।ব্রিটিশরা দু'শো বছর ভারত শাসন করেছে, মুসলমানরা প্রায় ৭০০ বছর ভারত শাসন করেছে। এসব এখন অতীত।ভারত এখন একটি স্বাধীন রাষ্ট্র।১৯৪৭ সালের ১৪ ই আগষ্টের আগে ভারতীয় উপমহাদেশে পাকিস্তান নামে কোন রাষ্ট্র ছিলো না। পাকিস্তান ছিল বৃটিশের দয়ার দান তথা ডিভাইড এন্ড রুল পলিসির অংশ। জন্মের পর থেকেই পাকিস্তান হিন্দু ও মুসলিম চুলকানির রোগে ভুগছে।এটা ওদের জন্মগত রোগ।এই রোগের সৃষ্টি করেছেন পাকিস্তানের লিয়াকত আলী খান জিন্নাহকে লন্ডন থেকে উড়িয়ে এনে দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তান ভাগ করে।

ভারতের সাথে দক্ষিণ এশিয়ায় যে দুটি দেশ যুদ্ধ করবে বলে মনস্থির করতেছে এদের পেটে জন্ম থেকেই গুঁড়ো কৃমির বসবাস। গুঁড়ো কৃমির প্রভাবে এদের পায়ুপথে চুলকানি হয়ে পাকিস্তান জিন্দাবাদ করে উঠে।সেই ঠেলায় এরা গজওয়া খেয়ে ভারত দখলের স্বপ্নদোষ হতে হতে ধ্বজভঙ্গ মানসিক রোগীতে পরিণত হয়েছে।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তান দুই দেশ মিলে মুসলমানদের সংখ্যা হচ্ছে প্রায় ৩৬ কোটি। তারা যে ভারত দখল করতে চায় তার জনসংখ্যা হচ্ছে ১৪০ কোটি তথা প্রায় পাঁচ গুণ বেশি। চাইলেই যদি ভারত দখল করা যেতো তবে চীন কত আগেই  তা দখল করে ফেলতো।

চীন ও ভারতের মাঝে প্রতিরোধের দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে নেপাল ও ভুটান নামক দুটি রাষ্ট্র। চীন ও ভারতের মাঝে ( Natural Barrier) তথা প্রকৃতির দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে হিমালয় পাহাড়।চাইলেই চীনের পক্ষে ভারত দখল করা সম্ভব নয়। হিমালয় ভারত ও চীনের মাঝে বাফার জোন হিসেবে কাজ করে। তাছাড়া চীন ও তুরস্কের ভারত বিরোধী আগ্রাসন ঠেকানোর জন্য ভারত ও রাশিয়া মৈত্রী চুক্তি এবং তুরস্ককে ঠেকানোর জন্য ভারত ও ইসরায়েলের মধ্যে বিভিন্ন সামরিক চুক্তি আছে। স্বপ্নেও তাই ভারত খেয়ে ফেলা অথবা চীনে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এসব ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন ছাড়া কিছুই নয়। তাই ভারতের পেটের মধ্যে থেকে বাংলাদেশ আর ভারতের প্রতিবেশী পাকিস্তানের কাছে চীন ও আমেরিকার গোলামী ছাড়া আর কোন অপশন নেই। এজন্য পাকিস্তান ও বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের মগজে গোলামীর রক্ত বহমান।কখনও চীন কে আব্বা আর কখনো আমেরিকাকে আব্বা বানিয়ে ঘেউ ঘেউ করা একটা স্বভাব হয়ে গেছে। কথায় আছে , ' যে কুকুর বেশী ঘেউ ঘেউ করে , সে কুকুরের কামড়ানোর ক্ষমতার চেয়ে ভয়টাই বেশী থাকে।'

চীন ও ভারত দুই দেশের আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্যের পরিমাণ ১২৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।চীনকে তাই পাগলা কুকুরে কামড়ায়নি যে চীন ভারতের সাথে যুদ্ধ করবে। মানসিক উন্মাদ ছাড়া আর কারো পক্ষেই এসব ভাবা সম্ভব নয়। আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে ডুরাল্ড লাইন নিয়ে গত ৭৮ বছর ধরে যুদ্ধ চলছে, ভারত ও চীনের মধ্যে সীমান্ত সংঘাত আছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যেও সীমান্ত সংঘাত আছে।এমনকি নেপাল , ভুটানের সাথেও চীন ও ভারতের সীমান্ত সমস্যা আছে।এসব পৃথিবীর একটি পুরাতন সমস্যা।ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যেও সীমান্ত সমস্যা আছে।এসব একটি স্বাভাবিক বিষয়।এর কারণে চীন ভারত দখল করবে , ভারত চীন দখল করবে এসব আজকের দুনিয়ায় সম্ভব নয়। চীনের অস্ত্র ও সামরিক সক্ষমতা পাকিস্তানের সক্ষমতা নয়। পাকিস্তান হচ্ছে চীনের হাড্ডি খাওয়া শেয়াল মানচিত্র। তু তু করে চীন মাঝে মাঝে পাকিস্তানকে হাড্ডি খেতে দেয়।এর বাইরে চীনের সাথে পাকিস্তানের সম্পর্ক নেই।

বাংলাদেশের মানচিত্রের দিকে ভালো করে তাকালেই দেখবেন , বাংলাদেশের তিনদিকে ভারত আর পেছনে বঙ্গোপসাগর ছাড়া আর কিছুই নেই। এমন একটি দেশের জনতার ভারতের বিরুদ্ধে লাফানো আহম্মকি ছাড়া আর কি হতে পারে? বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রকে স্থল ও সমুদ্র সবদিক থেকে ঘিরে রেখেছে ভারত।এটাই বাংলাদেশের জিওগ্রাফির বাস্তবতা।ভারত যেমন ছোট রাষ্ট্র নেপাল , মালদ্বীপ , শ্রীলঙ্কা ও ভুটান দখল করেনি , ঠিক তেমনি বাংলাদেশ ও দখল করবে না। বাংলাদেশ দখল করলে ভারতের লস। পঙ্গপালের পায়ুপথের চুলকানির রোগ ভারতকেও ধরবে ।তাই ভারত বাংলাদেশের চারপাশে ৪১০০ কিলোমিটারের সীমান্ত প্রাচীর তৈরি করছে।এতেই চোরাচালান করে পেট চালানো ৩০ থেকে ৪০ লাখ বাংলাদেশি দারিদ্রসীমার নীচে চলে যাবে। মানুষকে শুধু কথায় নয় , ভাতেও মারা যায়। ভারত বাংলাদেশের জন্য তাদের আকাশপথ, স্থলপথ ও সমুদ্রপথ বন্ধ করে দিলে মাত্র এক মাসের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি ধসে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি হবে। ছাগলের তিন ফাল দিলেই যে ভারত দখল সম্ভব নয় তা বুঝার ক্ষমতা আহম্মকদের থাকার কথা নয়।

বাংলাদেশের সাথে ভারতের মাত্র ১১ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য। প্রায় ৭০০ বিলিয়ন রিজার্ভের মালিক ভারতের এতে কিছুই যায় আসে না। ভারতের সামরিক বাজেট প্রায় ৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ও পাকিস্তান দুই দেশের রিজার্ভ এক করলেও ভারতীয় সামরিক বাজেটের সমান হবে না। ইতালির কাছ থেকে ইউরো ফাইটার কিনে ভারতকে চোখ রাঙানোর কিছুই নেই। ভারতের যুদ্ধ বিমানের সংখ্যাই ৭৩০ টি। পাকিস্তান ৪৫০ টা যুদ্ধ বিমান থাকার পরও আজ পর্যন্ত সিয়াচেন পূর্ণ দখল করতে পারেনি, নিজ দেশেই বেলুচিস্তান ও পশতুন জাতির কাছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী রোজ মার খাচ্ছে। যুদ্ধে জেতার জন্য কৌশল প্রয়োজন, যা ভারতের আছে প্রাকৃতিকভাবে।ভারত নামক ভূখন্ডকে প্রাকৃতিকভাবে সাজানো হয়ে গেছে পর্বত ও নদী দিয়ে। তাছাড়া ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারের সামরিক চুক্তি আছে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তান দুই দেশকে বিশ্ব বাজারে নিলামে তুললেও ১০০ বিলিয়ন ডলারে কেউ এখন কিনবে না।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের উগ্রবাদী মুসলমানদের মগজের সমস্যা। এরা এখনও মোঘল আমলে পড়ে আছে।অটোমান সাম্রাজ্য ভেঙে খান খান হয়ে গেছে ।
পাকিস্তানের ভেতরেই যেকোন মুহুর্তে জন্ম নিতে পারে বেলুচিস্তান ও পশতুন নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র।ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধ লাগলে আফগানিস্তান তো যুদ্ধ করবেই না, বরং ভারতকে সহযোগিতা করবে।এমনকি পাকিস্তানের পশতুন ও বেলুচিস্তানের মানুষ পর্যন্ত পাকিস্তানের পক্ষে যুদ্ধ করবে না। বাংলাদেশ যদি কখনো ভুল করেও ভারতের সাথে যুদ্ধে জড়ায় সেক্ষেত্রে পার্বত্য চট্টগ্রাম চিরতরে হারিয়ে ফেলবে। এছাড়া পঙ্গপাল নিয়ে ভারতের কোন আগ্রহ নেই। বাংলাদেশকে ভারতের অঙ্গরাজ্য বানালে ভারতের ক্ষতি। কেন্দ্রীয় সরকারের ৬০ টি আসন না দিয়ে ভারত বরং বাংলাদেশের কাঠমোল্লার মগজে গুঁড়ো কৃমি উৎপাদন করবে। বাংলাদেশ দখল করার জন্য ভারতকে পাগলা কুকুরে কামড় দেয়নি। বরং আহম্মকরা যত বেশি ' দিল্লী না ঢাকা ' ও পাকিস্তান জিন্দাবাদ দিবে তত বেশী ভারতের লাভ। এতে করে বাংলাদেশ একটি জ-ঙ্গী রাষ্ট্র ও পাকিস্তানের মত দূর্ভিক্ষের দেশে পরিণত হবে। মাত্র ১৫ মাসে ইউনূস সরকারের অদক্ষতায় বাংলাদেশের প্রায় ছয় কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে।ইউরো ফাইটার টাইফুন কিনতে কিনতে বাংলাদেশীদের লুঙ্গি খুলে যাবে ।এসব দেখে ভারত রাজার আসনে বসে মুচকি হাসবে।

সবশেষে বাংলাদেশীদের অবস্থা হবে " দাম নেই চার আনা ভাব নেয় আট আনার।" ভারতের সাথে পাল্লা দিয়ে অস্ত্র কিনতে পাকিস্তান জিন্দাবাদ পেছনে দিয়ে বাতাস হয়ে বের হয়ে যাবে। এজন্য রহিম ও করিমের ফুটানির গল্প বলতে বলতে নিয়াজী ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর চিৎ হয়ে শুয়ে পড়েছে।সেই যে পাকিস্তান চিৎ হয়েছে , আজ ৫৪ বছরেও সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। অতিরিক্ত ফুটানি দেখাতে দেখাতে বাংলাদেশের অবস্থাও হবে পাকিস্তান নামক মাজাভাঙা শেয়ালের মত। লিখে রাখুন, " এরা ঘেউ ঘেউ ছাড়া কোনদিন ভারতের একটা পিউবিক হেয়ার‌‌‌ পর্যন্ত ছিড়তে পারবে না।"

সত্য সবসময় সুন্দর 

Comments

Popular posts from this blog

বড়দিনকে হিন্দুয়ানায় বেঁধেছিলেন স্বামীজি, তুলসী-পূজনেও সে বাঁধন অটুট।

আমি কেন গান্ধীকে হত্যা করেছি!

প্রসঙ্গ মরিচঝাঁপি।