যে যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে ছটফট করে মরেনি সে মুঘল ছিলোই না।


আজকে আমি ভারতের বিশাল সাম্রাজ্য বিস্তার করা সেই মুঘল বাদশাদের শেষ সময় আর তাদের মৃত্যুর ব্যাপারে বলবো। 

আপনারা তাদের প্রশংসায় অনেক সিনেমা আর অনেক গল্প শুনেছেন হয়তো। 
আসুন জানি 'এত বিশাল সেনা রাখা বাদশাদের কে আর কি ভাবে মেরেছিলো। 
এখানে আপনারা আলাউদ্দিন খিলজি থেকে সুর করে ঔরঙ্গজেব, আকবর আর বাবরের মৃত্যুর সঙ্গে জুড়ে থাকা রহস্যর ব্যাপারে বলবো  'এটা ছাড়াও তাদের সঙ্গে জুড়ে থাকা এমন কিছু কথা বলবো যেটা মনে হয় না আপনারা শুনেছেন। 

বাবর - বাস্তবে সে শুধু দিল্লী জিততে সক্ষম হয়েছিলো কিন্তু তাকে সম্রাট কেনো বলা হলো সেটা আমি আজও জানি না। 
তার একজন প্রিয় ছিলো বাবুরী আনদিজানী 'বাবর তাকে প্রথমবার ১৪৯৯ তে উজ্বেকিস্থানের ক্যাম্প বাজারে দেখেছিলো আর তার প্রেমে পড়ে গিয়েছিলো। 
বাবর নিজের আত্ম বাবুর নামাতে (Babur Nama) অনেকবার বাবুরীর উল্লেখ করেছে। 

বাবুরী আনদিজানীর ব্যাপারে বেশি তথ্য উল্লেখ নেই কেনো না বাবর নিজের আত্ম কথাতে বাবুরীর প্রতি নিজের প্রেম জাহির করার জন্য অনেক দোহা লিখেছে। 
ভারতবর্ষে মুঘলীয়া সাম্রাজ্যের শুরু করা বাবর জন্ম ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৪৮৩ তে উজ্বেকিস্থানের আনদিজান নামাক একটা ছোটো জায়গায় হয়েছিলো। 
সাল ১৫২৬ এ কবুল পার করে বাবর নিজের বিশাল লস্করের সাথে ভারতবর্ষে প্রবেশ করলো। 
একটা লুটেরা এখানে লুট পাঠ করতে করতে আগে এগোছিলো। 

বাবরের কাছে অত্যাধুনিক সেনা ছিলো এই সেনাদের কাছে কামান আর বারুদ ছিলো...,. যার কারণে বাবর পাণি পথ আর খানয়ার যুদ্ধে নিজের শক্তির পতাকা উড়িয়েছিলো। 

ভারতবর্ষে বাবরকে সব থেকে বড়ো টক্কর রানা সাঙ্গা দিয়েছিলেন। 
খানওয়ায় যুদ্ধে রান্না সাঙ্গা আর বাবরের মধ্যে ভয়ঙ্কর সংগ্রাম হয়েছিলো কিন্তু কামান আর তলোয়ারের মধ্যে কিইবা যুদ্ধ হতো। 

রানার সাথে যুদ্ধে জেতার পরে ২৮ মার্চ ১৫২৮ এ বাবর অয্যধা এলো...,. যেখানে সে প্রভু শ্রী রামের পবিত্র মন্দিরকে অপবিত্র করে দিয়েছিলো। 
তারপর সে নিজের প্রিয় বাবুরী আনদিজানীর নামে ওখানে বানানো মসজিদের নাম রাখলেন...,. যেটাকে কিছু মূর্খ লোক বাবরের নামে বাবরী মসজিদ মনে করে।
যেটা আসলে তার পুরুষ মিত্র বাবুরীর নামে ছিলো আর এরকম সম্পর্কে তাদের মজভে হারাম বলা হয়ে থাকে কিন্তু কিছু লোক না এই সম্পর্কে হারাম মনে করে আর না সেই মানুষকে। 

এখান থেকেই বাবর আগ্রায় নিজের সেনার শেষ যাত্রা শুরু করেন। 
২৬শে ডিসেম্বর ১৫৩০ সালে বাবর মারা গেলো আর বাবরের ইচ্ছা ছিল তাকে আগ্রায় সমাহিত করা হোক।
এই জন্য প্রথমে তার মৃত দেহকে আগ্রাতে পোঁতা হলো পরে আবার তার হাড় গোড় তুলে সেটাকে কবুলে পোঁতা হয়েছিলো। 
আফগানিস্তানের কবুলে আজও বাগ - এ - বাবর নামে তার সমাধি বানানো আছে। 
বাবরকে উজ্বেকিস্থান আর আফগানিস্তানে কোনো কুকুরও জিজ্ঞাসা করে না কিন্তু ভারত ও পাকিস্তানে তাদের সন্তানদের গণনা করা যায় না। 

আলাউদ্দিন খিলজি - দিল্লী থেকে নিয়ে সম্পূর্ন ভারতে নিজের বিশাল সেনা ছুটানো খিলজির জন্ম আফগানিস্তানের জাবুল প্রান্তে হয়েছিলো আর ভারতে সে খুব লুটপাট করেছিলো।

(আমি মনে করি হিন্দু পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুক না কেনো তাদেরকে সনাতনী বলে সম্মধন করা হয় তেমন এই কাটমুল্লারা যেখান থেকেই আসুক তাদের স্বভাব, চারিত্র, লক্ষ, ধর্ম মানুষিকতা সব একই ছিলো তাই তাদেরকে এক কথাতে মুঘল বলে ব্যাখ্যা করেছি।) 

ছোটো বেলায় পিতার মরে যাওয়ার পর আলাউদ্দিন খিলজির কাকা জালাউদ্দিন খিলজি তাকে লালন পালন করে বড়ো করে। 
তারপর সেই কাকাকেই হত্যা করে নিজের চিন্তা ভাবনা আর বাস্তবতা প্রকাশ করে দিয়েছিলো..,. সেটা অবশ্য সেখানে ঠিকই ছিলো আর যেটা লোক মেনেও নেই। 
তারপর সে কাকার মেয়েকে জোর করে নিজের বেগম বানিয়ে নেয়...,. 'এই প্রকারে সে নিজের বাচ্চার বাবা আর মামা সে নিজেই হয়ে গিয়েছিলো। 

তার কাকা দিল্লির সুলতান ছিলো সে নিজের প্রিয়  ভাগ্নেকে সেনাবাহিনীর সেনাপতি তৈরি করেছিলেন আর নিজের মেয়ের বিয়েও তার সাথে দিয়ে দিয়েছিলো। 
আলাউদ্দিনও নিজের কাকার মন জেতার করার জন্য দিল্লির আসে পাশের হিন্দু রাজাদের ওপরে আক্রমণ করলো আর সেখান থেকে প্রচুর পরিমাণে ধন সম্পদ লুট করলো আর সেই ধন রত্ন দিয়ে সে নিজের বিশাল সেনার নির্মাণও করলো। 
নিজের ওই বিশাল সেনা নিয়ে দেবগিরির যাদবদের রাজ্যেতে আক্রমন করলো আর দেবগিরি থেকে নিঃসন্দেহে প্রচুর ধন রত্ন পেলো.... হাজারও হাতি, ঘোড়া, হীরে আর সেখানকার মেয়েদেরকে বন্দি করে গোলাম বানিয়ে আলাউদ্দিন পুনরায় দিল্লী দিকে ফিরে গেলো। 
এই জিতের ফলে আলাউদ্দিনের লোভ আর লালসা বাড়তে লাগলো আর পুরো ভারতবর্ষ দখল করার চেষ্টায় লেগে গেলো এবং সেটা পাবার জন্য নিজের কাকাকে মেরে তার সব কিছু দখল করলো। 
আলাউদ্দিন চিত্তৌরগড়েও আক্রমণ করেছিলো..,. 'যেখানে সে রানী পদ্মিনীকে প্রাপ্ত করতে চেয়েছিলো কিন্তু রাজপুতদের এরকম জল্লাদের সামনে মাথা নিচু করার কোনো প্রশ্নই আসে না। 
না সে রানী পদ্মিনী পেয়েছিলো আর না চিত্তৌর...... 
আলাউদ্দিনকে সব থেকে বড়ো টক্কর দেওয়া যোদ্ধা ছিলো হামিদ দেব চৌহান। 
৪ জানুয়ারি ১৩১৬ তে ৪৮ বছর বয়সে আলাউদ্দিন মারা গেলো। 
আজ আলাউদ্দিনের কবর দিল্লির মেহেরলীতে উপস্থিত আছে কিন্তু আলাউদ্দিন মরলো কি করে...,. আসলে নিজের শাসনের শেষের সময়ে আলাউদ্দিনের একটা ভয়ঙ্কর রোগ হয়েছিলো আর তার পুরো চামড়া কালো হয়ে গিয়েছিলো  'যার কারণে তার শরীরে ভয়ঙ্কর যন্ত্রণার সাথে ফোঁড়া আর পুঁজ বেরোতে শুরু করেছিলো। 
এই যন্ত্রনায় এই প্রকারের অবস্থায় তার মন্ত্রীরা পর্যন্ত তাকে হাত পর্যন্ত লাগায়নি...,.' একটা কুষ্ট রুগীর মতো, একটা এমন লাশের মতো...,. 'যে নিজের বিছানাতে পড়ে ছিলো, চিৎকার করতে থাকতো আর মৃত্যুর ভিক্ষা চাইতে থাকতো।

যে প্রকার হাজার নারীরা জীবিত অবস্থায় নিজেই নিজের দাহ সংস্কার করে নিয়েছিলো আর জোহার কুণ্ডে নিজেদেরকে মিশিয়ে দিয়েছিলো। 
বিশ্বাস করুন আলাউদ্দিন জীবিত অবস্থায় সেই ভয়ানক অগ্নির অভিশাপে প্রতিদিন আস্তে আস্তে, চটপট করতে করতে মরেছে। 
ইতিহাসকাররা মনে করে  'আলাউদ্দিনের রোগের কারণ তার গোলাম মলিক কফুর ছিলো আর এটা হওয়া দরকারও ছিলো। 
কেনো না মলিক কফুর জানতো 'যে আলাউদ্দিন খিলজি নিজের সেই কাকার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে  'যে তাকে লালন পালন করে বড়ো করেছিলো...,. তাহলে সেখানে মলিক কফুর তো তার কেউ ছিলোও না। 
মলিক কফুর সেটাই করেছিলো  'যেটা সে আলাউদ্দিনকে দেখে শিখে ছিলো...,. সে আলাউদ্দিন খিলজিকে মেরেছিলো....,. যে যেরকম তার সাথে সে রকম... মনে হয় এটাকেই বলে। 

এবার কথা বলি ইতিহাসের সব থেকে হিংস্র শাসক ঔরঙ্গজেবের। 
জন্ম ৪ নভেম্বর ১৬১৮ তে ভারতের দাদতে হয়েছিলো। 
তাকে ভারতের সব থেকে নির্দয় বা মুঘল ইতিহাসের সব থেকে নির্দয় শাসক বলা হয়। 
সে মুঘল সাম্রাজ্যের পঞ্চম শাসক ছিলো...,. সে নিজের লোকদেরও ছাড়েনি। 

সিংহাসন পাবার জন্য ঔরঙ্গজেব নিজের পিতাকে বন্দি করে নিজের বড়ো ভাইকে হত্যা করে। 
ঔরঙ্গজেব নিজের আরেকটা ভাইকেও হত্যা করেছিলো তারপর ঔরঙ্গজেব নিজের বড়ো ভাইয়ের ছেলে তাকেও হত্যা করে...,. সে নিজের ছেলেকেও হত্যা করে। 
সে শুধু নিজেদের লোকদেরকেই মারেনি...,. তাছাড়াও ভারতবর্ষের প্রচুর প্রাচীন মন্দিরকে ধ্বংস করেছিলো...,. এটা বলতে পারেন সে জিহাদ করার জন্য পাগল হয়ে গিয়েছিলো। 
ঔরঙ্গজেবের বিরুদ্ধে থাকা গুরু তেগ বাহাদুর, ছত্রপতী সম্ভাজী মহারাজ ছাড়া আরও কয়েক হাজার লোককে ঔরঙ্গজেব খুব যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যু দিয়ে নিজেকে খুব বড়ো জানোয়ার ঘোষণা করেছিলো কিন্তু ঔরঙ্গজেবের হিন্দু বিরোধী নীতির কারণে সম্পূর্ন ভারতবর্ষে চারিদিকে মুঘল শাসনের বিরুদ্ধে অনেক মজবুত শক্তি দাঁড়িয়ে গেলো..,. যারা শেষে মুঘল সাম্রাজ্যেকে পুরো পুরি ভাবে শেষ করে দিয়েছিলো। 

কিছু লোক বলে ঔরঙ্গজেব পুরো দেশকে যুক্ত করে রেখেছিলো....,. 'ঔরঙ্গজেব নাকি ভারতবর্ষকে বিশ্বের সব থেকে বড়ো অর্থনীতি (Economy) বানিয়ে ছিলো। 
সেই সব লোকদের বলছি - মুঘল সাম্রাজ্যেকে কাঙ্গাল করে দেওয়া...,. সেটা না শাহজাহান ছিলো আর না সেটা আকবর ছিল আর না তাদের আগে আসা অন্য কেউ। 
মুঘল সাম্রাজ্যকে ধ্বংস করেছে সয়ং ঔরঙ্গজেব...,. সে ধন সম্পদ মারাঠাদের সাথে যুদ্ধ করতে করতে শেষ করে দিয়েছিলো আর বিরোধীদের জন্ম দিয়েছিলো তার হিন্দু বিরোধী নীতি। 

ভারতের সব থেকে নির্দয় আর হিংস্র শাসকের মৃত্যুও খুব একটা শান্তিতে হয়নি....,. তাকেও ছটফট করতে হয়েছিলো । 
আসলে সাল ১৬৮৩ তে ঔরঙ্গজেব উত্তর ভারত দখল করার জন্য আর লুট করার জন্য বিশাল সেনার সাথে দক্ষিণের দিকে এগুলো। 
সে সেই সময় পরের ২৫ বছর মারাঠাদের শান্ত করার জন্য চেষ্টা করতে লাগলো আর এর মধ্যে ৩ মার্চ ১৭০৭ সালে ৮১ বছর বয়সে মহারাষ্ট্রের আহমেদনগরে ঔরঙ্গজেবের মৃত্যু হয়। 

তাকে মহারাষ্ট্রের দলতাবাদে ফকিরবুরাউদ্দিনের মাজারের পাশেই পোতা হয়েছিলো কিন্তু একটা বড়ো অংশ এটাও মনে করে  'যে বুনদেলের শ্রী ছেত্র শাল বিষাক্ত ছুরি দিয়ে আওরঙ্গজেবের পেটে ছুরিকাঘাত করেন, যার ফলে সে পরের ৩ মাস ছটফট করে মারা যান।
না কেউ নিজের, না নিজের ঘর, না কোনো চিকিৎসা..,. যে প্রকার সে বাকিদের সাথে ব্যাবহার করেছিলো, ভাগ্য আর মারাঠারা তার সাথেও সেরকম করেছিলো। 

এবার কথা বলি আকবরের - যাকে Bollywood এ খুব হ্যান্ডসাম দেখানো হয়, যাকে খুব বাহাদুর দেখানো হয় কিন্তু ইতিহাসে আমি একটাও যুদ্ধ এমন পড়িনি...,. 'যেখানে আকবর নিজের সেনার নেতৃত্ব করেছে। 
হ্যাঁ... চিত্তৌরগড়ের তৃতীয় জোহারে আকবর চিত্তৌরগড়কে চারিদিক থেকে ঘিরে বসে ছিলো। 
যে কাজ আলাউদ্দিন খিলজি চিত্তৌরগড়ে করেছিলো সেটা আকবরও করেছিলো। 
প্রকৃতপক্ষে, আকবর ১৬০৫ সালের অক্টোবরে আকবরের মৃত্যু সেই সময়ে হয়েছিলো যখন (Pechis) আমাশয় নামক এক ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত হয়ে যায়। 
সহজ কথায়, তার ডায়রিয়া হয় এবং তার সন্তানরা তার চিকিৎসা করতে চাইতো না। 
যে রকম মুঘল পরম্পরা ছিলো,,,. 'যতক্ষন না তুমি নিজের মা, বাপকে নির্যাতন না করবে ..,.' ততক্ষণ পর্যন্ত কে তোমাকে তাদের মশীহা ( ত্রাণকর্তা) হিসেবে গ্রহণ করবে? 

আওরঙ্গজেব শাহজাহানকে নির্যাতন করেছিলো 'তাই লোকেরা তাকে নিজেদের আলমগীর মনে করে। 
জাহাঙ্গীর আকবরকে নির্যাতন করেছিলো..... 
আলাউদ্দিন খিলজি নিজের কাকাকে..... 
মলিক কাফুর আলাউদ্দিন খিলজিকে..... 
সেই ভাবে জাহাঙ্গীরও করেছিলো...,.' আনারকলির ওপরে বাপ আর ছেলের দুজনেরই ভোগের লালসা এসেছিল। 
আকবর বাদশা ছিলো তাই নিজের যেটা ইচ্ছা হয়েছিলো সেটা করে নিয়েছিলো কিন্তু বুড়ো বয়সে কি করবে? 
আকবরের সব বিশ্বাস পাত্রদের প্রথমেই উপরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিলো..,. যার কারণে আকবরের রোগ সারেনি কারণ তার চিকিৎসা হয়নি। 
অপর দিকে তার পছন্দের ছেলে সেলিম সিংহাসন পাবার জন্য ষড়যন্ত্র করছিলো।
সে নিজের ভাই থেকে শুরু করে আকবরের অনেক বিশ্বাস পাত্রদের মেরে ফেলার অনেক চেষ্টা করেছিলো আর মেরেও ফেলেছিলো।
নিজের প্রিয় ছেলের এই কীর্তি আর তার হওয়া রোগ আকবরকে যন্ত্রনা দিয়ে দিয়ে মেরেছিলো। 
ইতিহাসকাররা বলে আকবরের মৃত্যুর কারণ আকবরের ছেলে সেলিমই ছিলো। 

আরো বাকিদের কাহিনী যদি জানার ইচ্ছা হয় তাহলে কমেন্টে অবশ্যই লিখবেন...,. কারণ যে ছটফট করে মরেনি, সে মুঘল কখনো ছিলোই না।

অযথা কেউ যদি এই বিষয়ে না জানেন তাহলে ফালতু কমেন্ট করবেন না....... ওপরের লেখার তথ্যর উল্লেখ নিচে বইয়ের নাম দেওয়া হলো সময় পেলে পড়ে নেবেন

Source 😌

1.The Mughal Empire - জ জন রিচার্ডস।
2.​The History of India, as Told by Its Own Historians - এলিয়ট এবং ডাউসন।
3. 'Akbar the Great Mogul' - ভিনসেন্ট স্মিথ। 
4. তারিখ-ই-ফিরোজশাহী - জিয়াউদ্দিন বারানি।

Comments

Popular posts from this blog

কাঁদে নিদারাবাদ

জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো শক্তিশালী একটি লেখা।

China is not making plays on the whole world?चीन पूरी दुनिया पर नाटक नहीं बना रहा है?গোটা বিশ্বটাকে নিয়ে চীন নাটক করছে না তো?