নিচের ছবিটি খুবই দুর্লভ একটি ছবি।



ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৃতদেহ। শশ্মানে নিয়ে যাওয়ার পর বিদ্যাসাগরের মৃতদেহের যে দুটি ছবি তোলা হয়েছিল এ ছবিটি তাদের মধ্যে একটি।মৃতদেহকে বসিয়ে রাখাতে ছবিটি অস্বাভাবিক এবং দৃষ্টিকটু হয়েছে, বসে আছেন বাঁদিক থেকে ঈশান চন্দ্র, শম্ভু চন্দ্র, সূর্য কুমার অধিকারী ও পঞ্চম ব্যক্তি নারায়ন, চতুর্থ জনের পরিচয় জানা যায়নি।

১৮৯১ সালের ২৯ জুলাই বাংলা তথা ভারতবর্ষের নারী জাগরণের অগ্রদুত মারা যান।আজ আমাদের ছেলে মেয়েদের শোবার ঘরে শাহরুখ-সালমানের ছবি পাওয়া যায়।অথচ প্রতিটি ভারতবর্ষের তরুনদের বিশেষ করে মেয়েদের কৃতজ্ঞ থাকা উচিত এই অসামান্য মেধাবী,দানবীর মহৎপ্রান মানুষটির প্রতি।

Comments

Popular posts from this blog

আমি কেন গান্ধীকে হত্যা করেছি!

বড়দিনকে হিন্দুয়ানায় বেঁধেছিলেন স্বামীজি, তুলসী-পূজনেও সে বাঁধন অটুট।

প্রসঙ্গ মরিচঝাঁপি।