Posts

✨ Today's Justice of qelunaris ✨ 🌿 “Not all answers have to be verbalized…”

Image
🌿 “Not all answers have to be verbalized…” There will be some people in life who will misunderstand you.  Think your silence is weakness,  And will question your well-being. Not everything needs to be answered. Let time provide some answers.  Because there is no greater judge than time. Just be honest with yourself.  Be kind to people.  And be clear to your conscience. Time will tell who was right, and who was just trying to be proven right by words. 🌿 💭 Do you think it is important to answer all the words? 👇 Give your opinion.

✨ QELUNARIS-এর আজকের সুবিচার ✨ 🌿 “সব উত্তর মুখে দিতে হয় না…”

Image
🌿 “সব উত্তর মুখে দিতে হয় না…” জীবনে এমন কিছু মানুষ আসবে, যারা আপনাকে ভুল বুঝবে,  আপনার নীরবতাকে দুর্বলতা ভাববে,  আর আপনার ভালো থাকাটাকেও প্রশ্ন করবে। সবকিছুর উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কিছু উত্তর সময়কে দিতে দিন।  কারণ সময়ের চেয়ে বড় বিচারক আর কেউ হয় না। আপনি শুধু নিজের জায়গায় সৎ থাকুন,  মানুষের প্রতি ভালো থাকুন,  আর নিজের বিবেকের কাছে পরিষ্কার থাকুন। একদিন সময়ই বলে দেবে— কে ঠিক ছিল, আর কে শুধু শব্দের জোরে ঠিক প্রমাণিত হতে চেয়েছিল।  🌿 💭 আপনি কি মনে করেন—সব কথার উত্তর দেওয়া জরুরি? 👇 আপনার মতামত জানাবেন।

✨ QELUNARIS-এর নতুন পথচলা ✨ 🌿 একটি কথা… একটু ভাবনার জন্য। 🌿

Image
🌿 একটি কথা… একটু ভাবনার জন্য। 🌿 প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনে আমরা অনেক কথা শুনি, অনেক কিছু দেখি— কিন্তু কিছু কথা থাকে, যা আমাদের একটু থামিয়ে ভাবতে শেখায়। সেই ভাবনা থেকেই আগামীকাল, ১ সেপ্টেম্বর থেকে আমার এই ID-তে শুরু হতে চলেছে একটি নতুন ধারাবাহিক— ✨ “QELUNARIS-এর আজকের সুবিচার” ✨ প্রতিদিন থাকবে একটি করে ছোট্ট ভাবনা— কখনও জীবন নিয়ে, কখনও মানুষ ও সম্পর্ক নিয়ে, কখনও সমাজ নিয়ে, আবার কখনও এমন কোনো সত্য নিয়ে যা হয়তো আমরা জানি, কিন্তু ভাবি না। 📖 একটি পোস্ট হয়তো কয়েক সেকেন্ড সময় নেবে পড়তে, কিন্তু তার ভাবনাটি হয়তো অনেকক্ষণ মনে থেকে যাবে। আমি চাই না শুধু আমি লিখব— আপনারাও পড়বেন, ভাববেন এবং নিজের মতামত জানাবেন। ❤️ তাই আগামীকাল থেকে সঙ্গে থাকুন। হয়তো কোনো একটি “সুবিচার” একদিন আপনার নিজের জীবনের কথাই বলে দেবে। 🌿 আগামীকাল দেখা হচ্ছে… ❤️ — Bijay Shil ✨ QELUNARIS Be Rare. Be Kind. Be Remembered.

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার ( অন্নপূর্ণা যোজনা)অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি:

Image
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার ( অন্নপূর্ণা যোজনা) অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি: সরাসরি ভাতা দিলে তা সাময়িক উপকারে আসে এবং তা মূলত দৈনন্দিন খরচে শেষ হয়ে যায়।  কিন্তু সেই টাকা সম্পদ সৃষ্টিতে (Asset Creation) এবং উৎপাদনে ব্যবহার করলে তা স্থায়ী কর্মসংস্থান তৈরি করে,  যা রাজ্যের জিডিপি (GDP) বাড়াতে এবং নারীদের প্রকৃত ক্ষমতায়নে সাহায্য করে। খরচের হিসেব প্রথম কিস্তি (জুন ২০২৬): জুন মাসের ৩ তারিখে যখন প্রথম এই প্রকল্পের টাকা দেওয়া হয়, তখন যাচাইকরণের পর ২৮ লক্ষ ২৫ হাজারেরও বেশি মহিলা প্রথম দফার টাকা পেয়েছে  দ্বিতীয় কিস্তি (১ জুলাই ২০২৬): জুলাই মাসের ১ তারিখে উপভোক্তা ১ কোটি ৩০ লক্ষ  সংখ্যায় প্রকাশ: ১৩,০০০,০০০ × ৩,০০০ কোটি হিসেবে: ৩,৯০০ কোটি টাকা (প্রতি মাসে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই পরিমাণ টাকা উপভোক্তাদের দিতে খরচ হয়েছে )। ভবিষ্যতের লক্ষ্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে স্ক্রুটিনি এবং নতুন আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে রাজ্যের প্রায় ২ কোটি যোগ্য মহিলা এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন। সংখ্যায় প্রকাশ: ২০,০০০,০০০ × ৩,০০০ কোটি হিসেবে: ৬,০০০ কোটি টাকা (সব যোগ্য উপভোক্তা যুক্ত হলে প্রতি মা...

সালটা 1971 ভারতীয় সেনাবাহিনী সিন্ধুর থারপারকার জেলাকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করে গুজরাটের একটি নতুন জেলা হিসেবে ঘোষণা করেছিল এবং মুজাফফারাবাদ সংসদের উপর ত্রিবর্ণ পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল

Image
আমরা প্রায়শই ১৯৭১ সালের যুদ্ধের জন্য ইন্দিরা গান্ধীর প্রশংসা করি, কিন্তু পাকিস্তানের সংসদে বেনজির ভুট্টোর স্বামী আসিফ আলী জারদারির দেওয়া এই বিবৃতিটি আমাদের অবশ্যই পড়া উচিত। যখন ৯০,০০০-এরও বেশি পাকিস্তানি সৈন্য ভারতীয়দের হাতে বন্দী ছিল এবং তাদের ৩,০০০-এরও বেশি সামরিক কর্মকর্তা আমাদের হেফাজতে ছিলেন... তখন পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল। .....ভারতীয় সেনাবাহিনী সিন্ধুর থারপারকার জেলাকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করে গুজরাটের একটি নতুন জেলা হিসেবে ঘোষণা করেছিল এবং মুজাফফারাবাদ সংসদের উপর ত্রিবর্ণ পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। .....জুলফিকার আলী ভুট্টো যখন ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষর করতে এসেছিলেন। তখন তিনি তাঁর কন্যা বেনজির ভুট্টোকে সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন।জুলফিকার আলী ভুট্টো তাঁর কন্যাকে রাজনীতি শেখাচ্ছিলেন। .....ইন্দিরা গান্ধী জুলফিকার আলী ভুট্টোর সামনে একটি শর্ত রাখলেন...  "যদি আপনি আপনার ৯৩,০০০ সৈন্য ফেরত চান, তবে আপনাকে কাশ্মীর হস্তান্তর করতে হবে।" জুলফিকার আলী ভুট্টো ইন্দিরা গান্ধীকে বললেন... "আমরা আপনাকে কাশ্মীর দেব না, আমি কোন কিছুতে স্বাক্ষ...

কলকাতার আদী গংগার যদি সংস্কার হয় তবে পশ্চিমবঙ্গে সরকারের প্রতিমাসে মিনিমাম হাজার কোটি টাকা আয় হবে কিভাবে হবে

Image
কলকাতার আদী গংঙ্গা যদি সংস্কার হয়  তবে  পশ্চিমবঙ্গে সরকারের প্রতিমাসে মিনিমাম হাজার কোটি টাকা আয় হবে  কিভাবে হবে চলুন দেখাযাক 1:- কলকাতা এরিয়া আদী গংগার শুরু থেকে শেষ অবধি  নদীর দুই পাড়ে যতোটা জমি নদীর আওতায় পরে সেই জমি রেলিং দিয়ে ঘিরে নদীর একদম পাশাপাশি ফুটপাত তৈরী করা  এবং ফুটপাত আর রেলিংয়ের মধ্যে যে জমি থাকবে তাতে বিভিন্ন ধরনের ছোট গাছ লাগিয়ে   লাইটিং দিয়ে সাজিয়ে পার্ক তৈরী করা ( প্রবেশ ফ্রী থাকবে ) কোনপ্রকার যানবাহন ঢোকা নিষিদ্ধ করতে হবে 2 :- 1 অথবা 2 কিলোমিটার অন্তর অন্তর গাড়ি পার্কিংয়ের (পার্কিং ফি দিয়ে) ব‍্যাবস্থা রাখতে হবে 3:- প্রত‍্যেক পার্কিংয়ে সরকারি ভাবে  কিছু পার্মানেন্ট ফাস্টফুডের স্টল তৈরী করে ভাড়ায় দিতে হবে 4:- আদী গংঙ্গার শুরু থেকে শেষ অবধি  প‍্যাসেঞ্জার বোট চালাতে হবে ( তাহলে কলকাতার বাসের ভির কুমবে এবং রাস্তায় যনজট কুমবে ) 5:- পর্যটকদের জন্য ছোট ছোট বোট চালাতে হবে শুধুমাত্র কলকাতা এরিয়ার মধ্য  আদী গংঙ্গার এবং কলকাতার উন্নতি নিয়ে চিন্তাভাবনা করলে আরো বহু কিছু করা সম্ভব  #everyoneシ゚ #reels #FacebookPage ...

গান্ধীজি অহিংস ছিলেন না। অহিংস ছিল তাঁর মুখোশ।

Image
নেতাজি সুভাষকে তিনি কংগ্রেস থেকে সরিয়েছিলেন হিংসার অনলে জ্বলে। প্রমাণ ১৯৩৯ সালে ত্রিপুরি কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন। সুভাষ নির্বাচনে দাঁড়ালেন গান্ধীজির অমতে। কী এত বড় স্পর্ধা সুভাষের! গান্ধীজি অবাক। তাই তিনি তাঁর মনোনীত প্রার্থী পট্টভি সীতারামাইয়াকে সুভাষের বিরুদ্ধে দাঁড় করালেন। জয়ী হলেন সুভাষ। ফল হল মারাত্মক।               গান্ধী ও নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু নির্বাচনে নেতাজীর জয় লাভের পর গান্ধীজির উক্তি: ‘The defeat of Pattabhi Sitaramyya is my defeat’ অর্থাৎ পট্টভি সীতারামাইয়ার পরাজয় মানে আমার পরাজয়।’ এ কী সাংঘাতিক কথা! জনগণের ভোটে নির্বাচিত সভাপতি সুভাষচন্দ্র বসুর জয়ে হঠাৎ মহাত্মার মত মানুষের এই ধরনের উক্তির কারণ কী? কারণ হিসেবে বলা হল গান্ধীজির নীতির কথা। গান্ধীজি অহিংসার পুজারী, অহিংস নীতিতে বিশ্বাসী। সুভাষ ঠিক এর বিপরীত। তাই সুভাষের জয় মানেই গান্ধীজির অহিংস নীতির পরাজয়। কিন্তু সত্যিই কি তাই? আদৌ তা নয়।  অক্ষমতার জন্য অহিংসার বুলি। আসলে সুচতুর গান্ধীজিকে বিচলিত করেছিল সুভাষের জয়। তিনি চরম হিংসা করতেন নেতাজীর জনপ্রিয়তাকে...